মঙ্গলবার , ০৬ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার , ০৬ অক্টোবর ২০২৬
হোম › আইন ও আদালত › বাংলামোটরে চাঁদা দাবি ও গুলি: রিমান্ড শেষে কারাগারে সাইমন

বাংলামোটরে চাঁদা দাবি ও গুলি: রিমান্ড শেষে কারাগারে সাইমন

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
বাংলামোটরে চাঁদা দাবি ও গুলি: রিমান্ড শেষে কারাগারে সাইমন

রাজধানীর বাংলামোটরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির পর মারধর ও ফাঁকা গুলি ছোড়ার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমনকে চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলার অপর তিন আসামিকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে সোমবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর সাইমনকে চার দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার কারাগারে পাঠানো হয়।


এর আগে গত শুক্রবার মামলার তিন আসামি ওমর (৩২), মোর্শেদ (২৫) ও মো. শাওনকে (২৫) তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।


মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম রিমান্ড শেষে আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, চার দিনের রিমান্ডে সাইমন মামলাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেসব তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন। জামিনে মুক্তি পেলে তিনি পালিয়ে যেতে পারেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।


মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১ অক্টোবর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বাংলামোটরের নিউ ইস্কাটন এলাকায় একটি বাসার সামনে বাদী মো. সোহানের পথরোধ করেন আসামিরা। এ সময় প্রধান আসামি ফেরদৌস আহমেদ সাইমন তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।


অভিযোগ অনুযায়ী, সোহান চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাইমন পিস্তল বের করে তার বুকের দিকে তাক করেন এবং গুলি করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পিস্তলের বাট দিয়ে সোহানের মাথায় আঘাত করেন তিনি। অন্য আসামিরাও তাকে মারধর করেন।


পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। আহত সোহান স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পথে তার ভগ্নিপতি মো. মোক্তার হোসেন সেখানে আসেন।


মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় সাইমনসহ অন্য আসামিরা মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে এসে আবারও সোহানকে মারধরের চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে মোক্তার হোসেনকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে সাইমন পিস্তল দিয়ে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে কয়েকজনকে আটক করেন। পালানোর চেষ্টাকালে সাইমনও আটক হন। খবর পেয়ে হাতিরঝিল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।