মঙ্গলবার , ১৮ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার , ১৮ আগস্ট ২০২৬
হোমজাতীয়শেখ মুজিবসহ ৪০০’র বেশি রাজনীতিবিদকে ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে নির্ধারণ

শেখ মুজিবসহ ৪০০’র বেশি রাজনীতিবিদকে ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে নির্ধারণ

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
শেখ মুজিবসহ ৪০০’র বেশি রাজনীতিবিদকে ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে নির্ধারণ

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) অধ্যাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদসহ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী চার শতাধিক এমএনএ ও এমপিএ’র মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিল করে তাদের ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগ থেকে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের এমএনএ/এমপিএ ছাড়াও চার শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এ চার শ্রেণি হলো: বিদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করা পেশাজীবী, মুজিবনগর সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দূত, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী-কলাকুশলী ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করা সাংবাদিক এবং স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।

আগামীকাল বাতিল হওয়া জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ২০২২ অনুসারে বঙ্গবন্ধু ও অন্যরা বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন। নতুন অধ্যাদেশে তাদের বীর মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা বাতিল হওয়ায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদনের পর দ্বিতীয় দফায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়।

অধ্যাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞাও সংশোধন করা হয়েছে। নতুন সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরে বা ভারতের প্রশিক্ষণকেন্দ্রে যুদ্ধের প্রস্তুতি ও অংশগ্রহণ করেছেন এবং পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনী ও তাদের সহযোগীশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন, তাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য করা হবে। পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, মুক্তিবাহিনী, পুলিশ, আনসার, প্রবাসী সরকার ও সহযোগী বাহিনীর সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

অধ্যাদেশে ‘মুক্তিযুদ্ধ’কে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগী বিরোধী যুদ্ধে নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক নানা স্তরে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।