বিদেশি বিনিয়োগে দক্ষিণ এশিয়ায় পিছিয়ে বাংলাদেশ
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বিদেশি বিনিয়োগের দিক থেকে বাংলাদেশ ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে এই বিনিয়োগ কমেছে ১৩ শতাংশেরও বেশি। বিনিয়োগ কমার কারণ হিসেবে নীতি জটিলতা, প্রশাসনিক দুর্বলতা ও সামর্থ্যের ঘাটতিকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা। আর অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের অভাবেই বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে মাত্র ১২৭ কোটি ডলার, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। তুলনামূলকভাবে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১৮৭ কোটি ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছিল।
বাংলাদেশে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ফিকির সভাপতি জাভেদ আখতার এ পরিস্থিতিকে 'আশঙ্কাজনক' বলে উল্লেখ করে বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে গেছে। স্থিতিশীল বিনিয়োগ নীতির অভাব ও কার্যকর প্রস্তুতি না থাকায় দেশ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে।
র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক দুর্বলতা বিদেশি বিনিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিনিয়োগকারীরা সাধারণত এমন দেশ এড়িয়ে চলে যেখানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ থাকে কিংবা সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলো দুর্বল। চীন বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখালেও আমরা যথাযথ প্রস্তুতির অভাবে সে সুযোগ কাজে লাগাতে পারছি না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য এখনই জরুরি ভিত্তিতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগবান্ধব নীতি ও অর্থনৈতিক সংস্কার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বিদেশি বিনিয়োগের দিক থেকে বাংলাদেশ ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে এই বিনিয়োগ কমেছে ১৩ শতাংশেরও বেশি। বিনিয়োগ কমার কারণ হিসেবে নীতি জটিলতা, প্রশাসনিক দুর্বলতা ও সামর্থ্যের ঘাটতিকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা। আর অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের অভাবেই বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে মাত্র ১২৭ কোটি ডলার, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। তুলনামূলকভাবে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ১৮৭ কোটি ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছিল।
বাংলাদেশে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ফিকির সভাপতি জাভেদ আখতার এ পরিস্থিতিকে 'আশঙ্কাজনক' বলে উল্লেখ করে বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে গেছে। স্থিতিশীল বিনিয়োগ নীতির অভাব ও কার্যকর প্রস্তুতি না থাকায় দেশ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে।
র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক দুর্বলতা বিদেশি বিনিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিনিয়োগকারীরা সাধারণত এমন দেশ এড়িয়ে চলে যেখানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ থাকে কিংবা সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলো দুর্বল। চীন বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখালেও আমরা যথাযথ প্রস্তুতির অভাবে সে সুযোগ কাজে লাগাতে পারছি না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য এখনই জরুরি ভিত্তিতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগবান্ধব নীতি ও অর্থনৈতিক সংস্কার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।