মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › সারা দেশ › টাঙ্গাইলে বিএনপির দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, আহত অন্তত ১০

টাঙ্গাইলে বিএনপির দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, আহত অন্তত ১০

favicon
অনলাইন সংস্করণ
টাঙ্গাইলে বিএনপির দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, আহত অন্তত ১০

গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতারা। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুরে কালিহাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায়।


প্রত্যক্ষদর্শী ও নেতাকর্মীরা জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটোর নেতৃত্বে কালিহাতী আর এস সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একটি বিজয় মিছিল বের করা হয়। এতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম শোভা, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, যুবদল ও ছাত্রদলসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।


অন্যদিকে, বাসস্ট্যান্ডের শহীদ শফি সিদ্দিকী তোরণের পাশে চলছিল আরেকটি সমাবেশ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিন, সাবেক আহ্বায়ক শুকুর মাহমুদ তালুকদার, ড্যাব নেতা ডা. শাহ আলম, মুক্তিযোদ্ধা দলের সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম, সাবেক মেয়র আলী আকবর জব্বার ও জেলা জিয়া পরিষদের সাবেক সভাপতি আব্দুল আউয়ালসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।


মিছিলটি ওই সমাবেশের কাছাকাছি পৌঁছালে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, যা পরে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় রূপ নেয়। এ সময় আশপাশের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শুকুর মাহমুদ বলেন, "আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করছিলাম, হঠাৎ টিটোর নেতৃত্বে একটি মিছিল এসে অকথ্য ভাষায় স্লোগান দিতে থাকে এবং আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। পরে আমরা প্রতিরোধ করি।"


অন্যদিকে বেনজির আহমেদ টিটো অভিযোগ করে বলেন, “হাইব্রিডরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের মিছিলে হামলা চালিয়েছে। তবে আমাদের নেতাকর্মীরা ধৈর্য ধরে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।”


কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, "বিজয় মিছিলটি সমাবেশের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এখন পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।