লেনদেন বাড়লেও ধারাবাহিকতা হারাচ্ছে শেয়ারবাজার
ঢাকার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি কিছুটা বাড়লেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছে না বাজার। গত সপ্তাহের লেনদেনের চিত্র বলছে, প্রথম কার্যদিবসে লেনদেন ১,১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়—যা গত এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে পরবর্তী তিন কার্যদিবসে লেনদেন টানা কমতে থাকে। দ্বিতীয় দিনে লেনদেন নেমে আসে ৯১১ কোটি ৭৩ লাখ টাকায়, যা ২০০ কোটিরও বেশি কম। বাকি দুই দিনে একদিন লেনদেন ছিল ৮০০ কোটির বেশি, আরেকদিন ৭০০ কোটির ঘরে।
প্রধান সূচক আগের দুই সপ্তাহের উর্ধ্বমুখী ধারা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়, সপ্তাহজুড়ে ৩৫ পয়েন্ট হারিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫,৪০৮ পয়েন্টে। তবে বাজারমূলধন বেড়ে ৭ লাখ ১৫ হাজার ৭৯ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা ০.৪% বৃদ্ধি।
খাতভিত্তিক লেনদেনে ব্যাংক খাতে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ১২.১৯%। বিপরীতে, ওষুধ ও কেমিক্যাল খাতে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৩৬% এবং পাট খাতে সর্বোচ্চ ১৭৫%।
দাম বৃদ্ধির শীর্ষ ৫ কোম্পানির মধ্যে চারটি ‘এ’ ক্যাটাগরির এবং একটি ‘বি’ ক্যাটাগরির। অন্যদিকে, দাম কমতির শীর্ষ ৫ কোম্পানির মধ্যে ৩টি ‘এ’ ও ২টি ‘বি’ ক্যাটাগরির।
এদিকে, লেনদেন কমার সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারশূন্য বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যাও বাড়ছে। সিডিবিএলের তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে এই ধরনের অ্যাকাউন্ট বেড়েছে ৭১১টি।