শনিবার , ১৫ আগস্ট ২০২৬
শনিবার , ১৫ আগস্ট ২০২৬
হোমশিক্ষাচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী

favicon
অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত ৩টা ২০ মিনিটে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করে।


প্রক্টোরিয়াল বডি, নিরাপত্তাকর্মী এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার পর চবির প্রক্টর মোহাম্মদ তানভীর হায়দার আরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে জরুরি সহযোগিতা চান। তার পোস্টে তিনি লেখেন, “শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর সংঘর্ষে বহু শিক্ষার্থী আহত। সহকারী প্রক্টর, নিরাপত্তা প্রধানসহ অনেকেই আহত হয়েছেন। পুলিশের গাড়ি, প্রক্টোরিয়াল বডির গাড়ি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ চাওয়া হলেও সময়মতো আসেনি। সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।”


অবশেষে সেনাবাহিনী আসার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আহতদের মধ্যে প্রায় ২১ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রোববার সকালে পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের হামলায় বহু শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকের পরীক্ষাও ছিল। তাই আজকের সব পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে।”


স্থানীয় সূত্র জানায়, সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এক নারী শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই ছাত্রী ২ নম্বর গেটের মাছ বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ঢুকতে গেলে দারোয়ানের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দারোয়ান তাকে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।


এসময় স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। পাল্টা শিক্ষার্থীরাও ক্যাম্পাসের সোহরাওয়ার্দী হল মসজিদ থেকে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে অংশ নেয়। কয়েক ঘণ্টার সংঘর্ষে দুই পক্ষের বহুজন আহত হন।