বুধবার , ১২ আগস্ট ২০২৬
বুধবার , ১২ আগস্ট ২০২৬
হোমরাজনীতিগণতন্ত্র ও ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য বিপজ্জনক শক্তির উত্থান: রিজভী

গণতন্ত্র ও ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য বিপজ্জনক শক্তির উত্থান: রিজভী

favicon
অনলাইন সংস্করণ
গণতন্ত্র ও ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য বিপজ্জনক শক্তির উত্থান: রিজভী

গণতন্ত্র ও ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য বিপজ্জনক শক্তির উত্থান ঘটছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।


রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশে (ডিইএবি) আয়োজিত এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৮তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে।


রিজভী বলেন, “যে শক্তিগুলো আজ উত্থান ঘটাচ্ছে, তা দেশের গণতন্ত্র ও এর চর্চার জন্য যেমন হুমকি, মানুষের ধর্মীয় চেতনার জন্যও তেমনি বিপদজনক।”


তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আঁতাতে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নির্মূলের কোনো গভীর নীলনকশা তৈরি হচ্ছে কি না—এ নিয়ে আজ মানুষের মনে সংশয় তৈরি হয়েছে।


ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, ব্যালট পেপার ছাপানো হয়েছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে, যার মালিকের সঙ্গে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তিনি দাবি করেন, দেশের ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতপন্থী ভাইস চ্যান্সেলর রয়েছেন এবং এর প্রভাব নির্বাচনে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।


ছাত্র রাজনীতিকে একটি উৎসব হিসেবে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কোড অব কন্ডাক্ট তৈরি করেছেন, যাতে বাইরের কেউ অংশ নিতে না পারে। বিশ্ববিদ্যালয় কিন্তু বিচ্ছিন্ন কোনো দেশ নয়।”


তিনি অভিযোগ করেন, সরকারপন্থী কিছু মানুষের সঙ্গে আঁতাত করে ভিসি বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করছেন।


রিজভী বলেন, “আমাদের সাংস্কৃতিক বাস্তবতায় মানুষ যেমন নামাজ পড়ে, তেমনি নাটক দেখে ও গান শোনে। কিন্তু যখন সবকিছু একপাক্ষিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তখন ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটে। ফ্যাসিবাদের শেষ রূপ হলো উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও উগ্র ধর্মীয় রাজনীতি।”


তিনি আরও অভিযোগ করেন, যারা অতীতে অভ্যুত্থানে যুক্ত ছিলেন, তারা এখন সাংস্কৃতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন একটি সংস্কৃতি চাপিয়ে দিতে চাইছেন।