সোমবার , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › অর্থনীতি-ব্যবসা › সঞ্চয়পত্র জালিয়াতি: তিন সন্দেহভাজনের ব্যাংক হিসাব জব্দ, বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কর্মকর্তার কম্পিউটারও জব্দ

সঞ্চয়পত্র জালিয়াতি: তিন সন্দেহভাজনের ব্যাংক হিসাব জব্দ, বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কর্মকর্তার কম্পিউটারও জব্দ

favicon
অনলাইন সংস্করণ
সঞ্চয়পত্র জালিয়াতি: তিন সন্দেহভাজনের ব্যাংক হিসাব জব্দ, বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কর্মকর্তার কম্পিউটারও জব্দ

সঞ্চয়পত্রের সার্ভারে অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) তিন সন্দেহভাজন ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে সঞ্চয়পত্র লেনদেনে যুক্ত তিন কর্মকর্তার কম্পিউটারও জব্দ করেছে তদন্ত কমিটি।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি তথ্য জালিয়াতি নাকি হ্যাকিং, তা তদন্তের পর নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) মতিঝিলের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান শাখায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন,


“জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সার্ভার ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিরাপত্তা আরো জোরদার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”


তিনি আরও জানান, সঞ্চয়পত্রের অর্থ চুরির ঘটনায় মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মতিঝিল থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন বলেন,


“ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।”


বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সম্প্রতি মতিঝিল অফিস থেকে ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কেনার পর একটি জালিয়াত চক্র ভুয়া লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে। সঞ্চয়পত্রটি কেনা হয়েছিল অগ্রণী ব্যাংকের জাতীয় প্রেস ক্লাব শাখা থেকে, কিন্তু অর্থ চলে যায় এনআরবিসি ব্যাংকের দিনাজপুর উপশাখার আরিফুর রহমান নামে এক ব্যক্তির হিসাবে। পরে তিনি ঢাকার শ্যামলী শাখা থেকে নগদ অর্থ তুলে নেন।

একই কৌশলে আরও দুটি ভুয়া লেনদেনের মাধ্যমে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ৩০ লাখ এবং এনআরবি ব্যাংকে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর চেষ্টা করা হয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে আসায় শেষ মুহূর্তে ওই লেনদেনগুলো স্থগিত করা হয়।

পরবর্তীতে বিএফআইইউ তিনটি সন্দেহজনক ব্যাংক হিসাবই জব্দ করে তদন্ত শুরু করেছে।