বিএনপির ফাঁকা ৬৩ আসন নিয়ে দরকষাকষি, আলোচনায় জোটের ভবিষ্যৎ সমীকরণ
রাজনীতির দাবার ছকে এখন সবচেয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে বিএনপি ও তার শরিকরা। ফাঁকা রাখা ৬৩টি আসনই যেন নতুন করে সাজাচ্ছে রাজনীতির বোর্ড— কোথায় কার পদক্ষেপ, কার ছক ফাঁস হয়ে যাবে, সেটাই দেখার বিষয়।
প্রকাশ্যে শরিকরা বলছেন, “আমরাই বড় অংশীদার”; কিন্তু পর্দার আড়ালে চলছে এক বা দুই আসনের জন্য হিসাব-নিকাশ, ফোনালাপ, আর ঘনঘন বৈঠক। বিএনপি বলছে, রাজপথের সহযোদ্ধাদের ভোটের মাঠে মূল্যায়ন হবে— কিন্তু বিদ্রোহী প্রার্থীদের ঘোষণায় সেই ঐক্যের প্রতিশ্রুতিতে এখন ছোট ছোট ফাটল দেখা দিচ্ছে।
এই তালিকায় জোনায়েদ সাকি, মাহমুদুর রহমান মান্না, তানিয়া রব, নুরুল হক নূর— পরিচিত নামগুলোই আলোচনার কেন্দ্রে। আবার কেউ কেউ বলছেন, জোট মানেই আপস; আপস মানেই আত্মত্যাগ— কিন্তু কার আত্মত্যাগ, সেটাই এখন প্রশ্ন।
ধর্মভিত্তিক দল, এনসিপি, এমনকি ছোট ছোট আঞ্চলিক সংগঠন— সবাই চাইছে একটা করে আসন, একটা করে সুযোগ। বিএনপি একদিকে হিসাব রাখছে “জোটের ঐক্য”র, অন্যদিকে ভয় করছে বিদ্রোহের আগুন যেন মাঠে ছড়িয়ে না পড়ে।
সব মিলিয়ে, এই আসন সমঝোতা শুধু রাজনীতির কূটকৌশল নয়— এটা নেতৃত্ব, আস্থা আর ভবিষ্যৎ রাজনীতির চরিত্রেরও পরীক্ষা।
নভেম্বরের মাঝামাঝি বৈঠকগুলোই হয়তো বলে দেবে— কারা থাকবে দলে, আর কারা লড়বে নিজের ছায়ার বিপক্ষে।