সোমবার , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › অর্থনীতি-ব্যবসা › এনইআইআর বাতিল ও আমদানি সহজীকরণের দাবিতে রাজধানীতে মোবাইল বিক্রেতাদের মানববন্ধন

এনইআইআর বাতিল ও আমদানি সহজীকরণের দাবিতে রাজধানীতে মোবাইল বিক্রেতাদের মানববন্ধন

favicon
অনলাইন সংস্করণ
এনইআইআর বাতিল ও আমদানি সহজীকরণের দাবিতে রাজধানীতে মোবাইল বিক্রেতাদের মানববন্ধন

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাতিল, বাজারে একচেটিয়া সিন্ডিকেট প্রথার অবসান এবং মোবাইল ফোন আমদানি প্রক্রিয়া সহজীকরণের দাবিতে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মানববন্ধন করছেন মোবাইল বিক্রেতারা। রবিবার সকাল ৯টায় মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি শুরু হয়। ব্যানার–ফেস্টুন হাতে নিজেদের দাবিগুলো তুলে ধরছেন ব্যবসায়ীরা।


মানববন্ধনে সংগঠনটির সভাপতি মো. আসলাম বলেন, “সরকারকে অনুরোধ করছি, এনইআইআর সিস্টেম চালু করবেন না। এনবিআর, বিটিআরসি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের একসঙ্গে বসার সুযোগ দিন। সুষ্ঠু সমাধান না হলে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থার বাসায় গিয়ে অবস্থান নেব।”


তিনি জানান, দেশে ২০ হাজারের বেশি মোবাইল ব্যবসায়ী আছেন এবং বর্তমান আমদানি ব্যবস্থায় বৈধ ব্যবসা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

“একটি কোম্পানি ফোন আমদানি করলে তাদের ১৫% ভ্যাট লাগে, আর আমাদের দিতে হয় ৫৭%। এতে সাধারণ ভোক্তার ওপরও চাপ বাড়ছে।”


সভাপতি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা ভ্যাট–কর দিতে প্রস্তুত, কিন্তু কর কাঠামো সহনীয় পর্যায়ে না থাকায় বৈধ আমদানি অসম্ভব হয়ে পড়েছে।


মানববন্ধনে সংগঠনের সিনিয়র সহ–সভাপতি শামীম মোল্লা অভিযোগ করেন, বিটিআরসি ১৬ ডিসেম্বর থেকে যে এনইআইআর সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছে, তা বাজারে নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিতেই আনা হয়েছে।

তার দাবি, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফোনের দাম অযৌক্তিকভাবে বেড়ে যাবে এবং সাধারণ মানুষের ক্ষতি হবে।


তিনি আরও জানান, এনইআইআর বাস্তবায়নে নয়টি প্রতিষ্ঠান মিলে ১১ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করছে।

“বিটিআরসির কি নিজস্ব অর্থ নেই? কেন বাইরের কোম্পানির ওপর নির্ভর করতে হবে?”—প্রশ্ন রাখেন তিনি।


মোবাইল ব্যবসায়ী সেলিম আহমেদ বলেন, ২৫ বছর ধরে ব্যবসা করলেও এখন হঠাৎ নয়টি কোম্পানির সিন্ডিকেট দিয়ে পুরো বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

তিনি দাবি করেন, ৫৭% ভ্যাট দিয়ে ব্যবসা চালানো সম্ভব নয়।

“সরকারের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাই, তবে ট্যাক্স সহনীয় পর্যায়ে না আনলে আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।”