বুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › আইন ও আদালত › শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: ঘনিষ্ঠ সহযোগী দাঁতভাঙা কবিরের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: ঘনিষ্ঠ সহযোগী দাঁতভাঙা কবিরের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: ঘনিষ্ঠ সহযোগী দাঁতভাঙা কবিরের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কবির ওরফে দাঁতভাঙা কবিরের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের আদালত এ আদেশ দেন।


এদিন কবিরকে আদালতে হাজির করা হলে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে কবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।


এ মামলায় এরই মধ্যে গ্রেপ্তার ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, তার বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু পাঁচ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন। এছাড়া, ঘটনার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক আব্দুল হান্নানকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।


গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেন। অভিযোগে বলা হয়, এই প্রেক্ষাপটে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা ও নাশকতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং আসন্ন নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।


মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।