মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › অর্থনীতি-ব্যবসা › জানুয়ারি থেকে কমছে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা: প্রস্তাব পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ

জানুয়ারি থেকে কমছে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা: প্রস্তাব পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
জানুয়ারি থেকে কমছে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা: প্রস্তাব পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ

আগামী জানুয়ারি মাস থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবারও কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি এবং ব্যাংক খাতে আমানত বাড়ানোর লক্ষ্যে গড়ে দশমিক ৫ শতাংশ মুনাফা কমানোর এই প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টার চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) এ বিষয়ে নতুন পরিপত্র জারি করবে।


বর্তমানে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ওপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ ১১.৯৮ শতাংশ থেকে সর্বনিম্ন ৯.৭২ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাওয়া যায়। নতুন প্রস্তাবে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে মুনাফার হার তুলনামূলক বেশি রাখা এবং এর বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে হার কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। গত ৩০ জুন সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে প্রতি ছয় মাস অন্তর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণ করা হবে, যার প্রথম মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে।


এ বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, ব্যাংকারদের পক্ষ থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর দাবি রয়েছে যাতে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ব্যাহত না হয়। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, সঞ্চয়পত্রের হার কমলে ব্যাংকিং খাতে আমানত বাড়বে যা শিল্প ও ব্যবসায়িক ঋণের জন্য সহায়ক হবে।


বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় 'পরিবার সঞ্চয়পত্র'-এ সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১.৯৩ শতাংশ। নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে এটিসহ পেনশনার সঞ্চয়পত্র এবং বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মুনাফাও কমে আসবে। তবে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড এবং ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবের মুনাফার হারে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলে জানা গেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ২ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছে এবং অক্টোবর শেষে এই খাতে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা।