মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › আইন ও আদালত › ইনকিলাব মঞ্চ নেতা হাদি হত্যা মামলা: দুই আসামির দায় স্বীকার, কারাগারে প্রেরণ

ইনকিলাব মঞ্চ নেতা হাদি হত্যা মামলা: দুই আসামির দায় স্বীকার, কারাগারে প্রেরণ

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ইনকিলাব মঞ্চ নেতা হাদি হত্যা মামলা: দুই আসামির দায় স্বীকার, কারাগারে প্রেরণ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় আসামি সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সাল আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।


বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে এ মামলাটি প্রথমে হত্যাচেষ্টা হিসেবে দায়ের করেন। পরবর্তীতে হাদির মৃত্যুর পর মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা যুক্ত করা হয়। এ মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।


মামলার অন্য আসামিরা হলেন— মো. ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্টকার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম এবং আত্মগোপনে সহায়তাকারী আমিনুল ইসলাম রাজু। এদের মধ্যে হুমায়ুন, হাসি, সামিয়া, লিমা, সিপু ও রাজু ইতোমধ্যে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। রিমান্ড শেষে নুরুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালত প্রধান আসামি ফয়সালের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছেন।


ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়।


সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা গেলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।