গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রচারে সরকারি কর্মকর্তাদের কোনো আইনগত বাধা নেই: আলী রীয়াজ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচার চালাতে সরকারি কর্মকর্তাদের সামনে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোট বিষয়ক প্রচার কার্যক্রমের মূখ্য সমন্বয়ক প্রফেসর আলী রীয়াজ।
গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে সিলেটে আয়োজিত বিভাগীয় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আলী রীয়াজ বলেন, জুলাইয়ে যারা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন, তারা একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এই গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
তিনি বলেন, বিদ্যমান সংবিধান, আরপিও, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ কিংবা গণভোট সংক্রান্ত অধ্যাদেশের কোথাও বলা নেই যে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা ইতিবাচক পরিবর্তনের পক্ষে কথা বলতে পারবেন না। সুতরাং গণভোটে প্রচারণায় আইনগত বাধা আছে—এমন কোনো সুনির্দিষ্ট রেফারেন্স কেউ দেখাতে পারবে না।
যারা সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচারে বাধা আছে বলে দাবি করছেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এসব বক্তব্য ভিন্ন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা।
সরকারি কর্মকর্তারা নৈতিকভাবে গণভোটের পক্ষে প্রচার করতে পারেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আলী রীয়াজ বলেন, কোন নৈতিকতার কথা বলা হচ্ছে? যে নৈতিকতা তরুণদের রক্ত ও আত্মত্যাগকে অস্বীকার করে, সে নৈতিকতা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
চাও তো আমি এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত নিউজ, প্রেস নোট স্টাইল, বা বিকল্প শিরোনাম সেটও করে দিতে পারি 🙂
নিশ্চিত 👍 নিচে পরিমার্জিত শিরোনাম ও রিরাইট করা সংবাদ দেওয়া হলো—সংবাদধর্মী, সংক্ষিপ্ত ও সাবলীল ভাষায়।
শিরোনাম:
চীনের সঙ্গে চুক্তি করলে কানাডার পণ্যে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
সংবাদ:
চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির পথে হাঁটলে কানাডার ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার এক কড়া বার্তায় তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে সতর্ক করে বলেন, এমন কোনো পদক্ষেপ কানাডাকে বড় ধরনের বিপদের মুখে ফেলবে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, চীন কানাডাকে “জ্যান্ত গিলে খাবে” এবং দেশটির ব্যবসা-বাণিজ্য, সামাজিক কাঠামো ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেবে।
তিনি আরও জানান, কানাডা যদি চীনের সঙ্গে কোনো ধরনের বাণিজ্য চুক্তি করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী সব কানাডীয় পণ্য ও সামগ্রীর ওপর তাৎক্ষণিকভাবে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।
ট্রাম্পের এই হুমকির পর সরাসরি তার নাম উল্লেখ না করলেও এক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান জানান কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। তিনি দেশের অর্থনীতি সুরক্ষায় কানাডীয় নাগরিকদের দেশীয় পণ্য কেনার আহ্বান জানান।
কার্নি বলেন, বিদেশি হুমকির কারণে কানাডার অর্থনীতি বর্তমানে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। অন্য দেশ কী সিদ্ধান্ত নেবে তা কানাডার নিয়ন্ত্রণে নেই, তবে নিজেদের সেরা গ্রাহক হয়ে উঠলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
চাও তো আমি এটাকে সংক্ষিপ্ত ব্রেকিং নিউজ ভার্সন, বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্ট, বা একাধিক বিকল্প শিরোনামও করে দিতে পারি 🙂
নিশ্চিত 👍 নিচে পরিমার্জিত শিরোনাম ও রিরাইট করা সংবাদ দেওয়া হলো—সংবাদধর্মী, সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল ভাষায়।
শিরোনাম:
বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
সংবাদ:
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তারা বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চান। একটি এমন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য তাদের, যেখানে চোর-ডাকাত, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ঘুষখোরদের কারণে মানুষ আর অতিষ্ঠ হবে না।
শনিবার দুপুরে বগুড়ার আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জামায়াতের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল হক।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকদের ভাতা দিয়ে অপমান করা নয়, বরং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে চান তারা। যুবসমাজকে দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তুলে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
জামায়াত আমির আরও বলেন, ক্ষমতায় গেলে বগুড়াকে বিভাগ ঘোষণা করা হবে এবং পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও পৃথক মাদ্রাসা বোর্ড স্থাপন করা হবে। সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেললাইন নির্মাণ এবং বগুড়া বিমানবন্দর দ্রুত সংস্কারেরও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের এক ইঞ্চি জমির সম্মান কারও কাছে বন্ধক রাখা হবে না। আল্লাহ যতদিন তৌফিক দেবেন, ততদিন একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
জনসভায় জামায়াত আমির বগুড়ার সাতটি আসনের প্রার্থীদের হাতে নির্বাচনি প্রতীক তুলে দেন এবং তাঁদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
এর আগে সকালে রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন ডা. শফিকুর রহমান। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
রংপুর থেকে গাইবান্ধায় এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং গাইবান্ধায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।
চাও তো আমি এটাকে সংক্ষিপ্ত ভার্সন, বুলেট পয়েন্ট নিউজ, বা বিকল্প শিরোনাম সেটও করে দিতে পারি 🙂
নিচে পরিমার্জিত শিরোনাম ও রিরাইট করা সংবাদ দেওয়া হলো—
শিরোনাম:
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে আজ বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে ইসি
সংবাদ:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি মিশনের কূটনীতিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ। তিনি জানান, সকাল সাড়ে ১০টায় কমিশনের সব সদস্য দেশে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক এবং জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবেন।
তিনি বলেন, বৈঠকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে ইসির প্রস্তুতি, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
চাইলে আমি এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত নিউজ ভার্সন, বুলেট ফরম্যাট, অথবা বিকল্প শিরোনামও করে দিতে পারি 👍
নিচে পরিমার্জিত শিরোনাম ও রিরাইট করা সংবাদ দেওয়া হলো—
শিরোনাম:
বাগেরহাটে পাশাপাশি কবরে দাফন মা ও ৯ মাসের শিশুকে
সংবাদ:
বাগেরহাটে জানাজা শেষে কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী (২২) ও তার ৯ মাস বয়সী শিশু সন্তান সেজাদ হোসেন নাজিফকে পাশাপাশি কবরে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে এই দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে শনিবার রাতে স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ বহনকারী একটি অ্যাম্বুলেন্স যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে পৌঁছায়। স্বজনদের আবেদনের পর প্যারোলে মুক্তির অনুমতি না মিললেও, মানবিক বিবেচনায় কারা কর্তৃপক্ষ ছয়জন নিকট আত্মীয়সহ মরদেহ কারাগারের ভেতরে নেওয়ার অনুমতি দেয়।
এ সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলার সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম প্রায় পাঁচ মিনিটের জন্য স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ পান। স্বল্প সময়ের মধ্যেই কারাগারের ভেতরে তাদের শেষ বিদায় সম্পন্ন হয়।
পরে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের আঁধারে জানাজা শেষে শোকাবহ পরিবেশে পাশাপাশি দুটি কবর খুঁড়ে মা ও শিশুকে দাফন করা হয়। এ সময় পুরো এলাকা কান্না ও ভারী শোকের আবহে স্তব্ধ হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হন সাদ্দাম। বর্তমানে তিনি যশোর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
গত শুক্রবার দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেকডাঙ্গা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই ঘরে তার ৯ মাস বয়সী শিশুর মরদেহও পাওয়া যায়।
পুলিশ ও পরিবারের দাবি, হতাশাগ্রস্ত হয়ে স্বর্ণালী প্রথমে সন্তানকে হত্যা করেন এবং পরে আত্মহত্যা করেন। পুলিশ জানায়, স্বর্ণালীকে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এবং শিশুটিকে মেঝে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
চাইলে আমি এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত ভার্সন, ব্রেকিং নিউজ স্টাইল, অথবা মানবিক ফিচারধর্মী ভাষায়ও রিরাইট করে দিতে পারি।
নিচে পরিমার্জিত শিরোনাম ও রিরাইট করা সংবাদ দেওয়া হলো—
শিরোনাম:
মিনিয়াপলিসে আইসিইর অভিযানে আটক ২ বছরের শিশু, সমালোচনার মুখে সংস্থাটি
সংবাদ:
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্টদের হাতে আটক হওয়া দুই বছরের এক শিশুকন্যাকে শুক্রবার বিকেলে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে শিশুটির বাবা এখনো আইসিই হেফাজতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন পরিবারের আইনজীবী। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে সংস্থাটি।
পরিবারের আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে এলভিস টিপান-এচেভেরিয়া ও তার দুই বছরের মেয়েকে দোকান থেকে ফেরার পথে আটক করেন আইসিই সদস্যরা। আইনজীবীদের অভিযোগ, অভিযানের সময় এজেন্টদের কাছে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল না।
তারা আরও জানান, আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই সেদিন বাবাসহ শিশুটিকে টেক্সাসে পাঠানো হয়। পরে শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হলেও বাবা এলভিস টিপান-এচেভেরিয়া এখনো আইসিই হেফাজতে রয়েছেন।
পরিবারের আইনজীবী কিরা কেলি শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সিএনএনকে জানান, বাবা ও মেয়ে দুজনই ইকুয়েডরের নাগরিক। আদালতের নথি অনুযায়ী, শিশুটি নবজাতক অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে আসে এবং তখন থেকেই মিনিয়াপলিসে বসবাস করছে। তার একটি আশ্রয় আবেদন বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন মিনিয়াপলিসে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযান ঘিরে অসন্তোষ বাড়ছে। চলতি সপ্তাহেই শহরটির একটি বাড়ির ড্রাইভওয়ে থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশু লিয়াম কোনেহো রামোসকে ফেডারেল এজেন্টরা আটক করে বাবার সঙ্গে টেক্সাসের একটি পারিবারিক আটক কেন্দ্রে পাঠান। তারা দুজনই এখনো সেখানে আটক রয়েছেন।
চাইলে আমি এটিকে সংক্ষিপ্ত ব্রেকিং নিউজ, মানবাধিকার দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ, বা বুলেট পয়েন্ট ভার্সন হিসেবেও তৈরি করে দিতে পারি।
নিচে পরিমার্জিত শিরোনাম ও রিরাইট করা সংবাদ দেওয়া হলো—
শিরোনাম:
রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি নেই, সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ ত্রিপাক্ষিক বৈঠক
সংবাদ:
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে টানা দুই দিন আলোচনার পরও ভূখণ্ড ইস্যুতে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি পক্ষগুলো। রোববার (২৫ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনার আগে ইউক্রেনের প্রধান মধ্যস্থতাকারী রুস্তম উমেরভ জানান, যুদ্ধ বন্ধের শর্ত এবং পরবর্তী বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিয়ে সরাসরি আলোচনাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য।
তবে আলোচনা শেষে কোনো অগ্রগতির খবর পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে ভূখণ্ডের মালিকানা প্রশ্নে মস্কো ও কিয়েভ নিজ নিজ অবস্থানে অনড় রয়েছে।
রাশিয়ার দাবি, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শিল্প এলাকা ও দোনবাস অঞ্চল তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। অন্যদিকে, ইউক্রেন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কোনো অবস্থাতেই তারা দেশের ভূখণ্ড ছাড়তে রাজি নয়।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অংশ নেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে দ্বিতীয় দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে প্রথম দফায় কোনো অগ্রগতি না থাকায় এই শান্তি উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।
চাইলে আমি এটিকে সংক্ষিপ্ত ব্রেকিং নিউজ, বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন, অথবা বিকল্প শিরোনামের তালিকাও করে দিতে পারি।
নিচে পরিমার্জিত শিরোনাম ও রিরাইট করা সংবাদ দেওয়া হলো—
শিরোনাম:
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের বিষয়ে ইসির নমনীয়তা গ্রহণযোগ্য নয়: সুজন সম্পাদক
সংবাদ:
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নমনীয় আচরণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, এসব ক্ষেত্রে ইসির শিথিলতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এতে নির্বাচন প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন বৈধ করে দেওয়ার মতো মন্তব্য একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তার মতে, এ ধরনের আচরণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতের নির্বাচনও বিতর্কিত হতে বাধ্য।
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, কেউ আইন লঙ্ঘন করলে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। পাশাপাশি পোস্টার ব্যালট নিয়ে ওঠা বিতর্কের সুষ্ঠু তদন্তেরও দাবি জানান তিনি। তার মতে, পোস্টার ব্যালট ইস্যু পুরো নির্বাচন ব্যবস্থা ও ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান এআই প্রযুক্তির যুগে অপতথ্য ও অপপ্রচার ছড়ানো সহজ হয়ে গেছে, যা নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে আরও সজাগ ও তৎপর থাকার আহ্বান জানান তিনি।
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে সুজন সম্পাদক বলেন, অসহিষ্ণুতা ও সহিংসতার প্রবণতা বন্ধ না হলে পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে উঠতে পারে। ডিম ছোড়া, ময়লা পানি নিক্ষেপসহ সহিংস কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নির্বাচনে অর্থের প্রভাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টাকা দিয়ে ভোট কেনার সংস্কৃতি এখনও রয়ে গেছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে প্রার্থীদের ব্যয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছিল সুজন, কিন্তু নির্বাচন কমিশন তা উপেক্ষা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার বলেন, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে অবাধ ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
চাইলে আমি এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত সংস্করণ, বুলেট পয়েন্ট ফরম্যাট, বা বিকল্প শিরোনামের তালিকাও তৈরি করে দিতে পারি।
নিচে আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিমার্জিত শিরোনাম ও রিরাইট করা সংবাদ তুলে ধরা হলো—
শিরোনাম:
পাপনের ১৫ বছরের আমলের চেয়েও বেশি দুর্নীতি গত ছয় মাসে: বিস্ফোরক দাবি বিসিবি পরিচালক দীপনের
সংবাদ:
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বোর্ড পরিচালক আদনান রহমান দীপন। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি দাবি করেন, সদ্যসমাপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ডের মাত্র ছয় মাসের সময়কালের দুর্নীতি নাকি সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের ১৫ বছরের শাসনামলকেও ছাড়িয়ে গেছে।
দীপনের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি মূলত গত বছরের মে মাস থেকে অক্টোবর মাসে বিসিবি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সময়ের কথা উল্লেখ করছেন। তিনি বলেন,
‘পাপনের ১৫ বছরের রাজত্বে যা হয়নি, তা হয়েছে শেষ কমিটির আগের ছয় মাসে। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, গত পাঁচ-ছয় মাসে যে পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে, তা ১৫ বছরের কাছাকাছি।’
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বিসিবিতে পূর্ণমাত্রায় তদন্ত কার্যক্রম চলছে এবং তদন্তে ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট অনেক পরিচিত মুখের নাম উঠে আসতে পারে।
‘বোর্ডে না ঢুকলে অনেক বিষয়ই আমাদের ধারণার বাইরে থাকত। আমরা ডকুমেন্ট, কাগজপত্র ও হিসাবপত্রে যা দেখছি, তা অবিশ্বাস্য।’
দীপনের দাবি অনুযায়ী, বিসিবির অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বাইরের সংস্থাকেও তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন,
‘আমরা বাইরে থেকে সিআইডি এবং ল ডিপার্টমেন্টকে ইনভলভ করছি, যেন নিরপেক্ষভাবে সবকিছু বেরিয়ে আসে।’
এর আগে গত এপ্রিল মাসে বিসিবি কার্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযান দেশের ক্রিকেটে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে। অনেকেই বিষয়টিকে দেশের ক্রিকেটের জন্য লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেন।
তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকৃত লজ্জা তাদের জন্য, যারা ক্রিকেট উন্নয়নের নামে দেশের ক্রিকেটকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।
নতুন বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে বিসিবির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন নিজেদের ঘরের ভেতরে থাকা দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করা। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা।
চাইলে আমি এটিকে সংক্ষিপ্ত নিউজ ভার্সন, বুলেট পয়েন্ট নিউজ, বা সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাপশন আকারেও তৈরি করে দিতে পারি।
নিচে আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিমার্জিত শিরোনাম ও রিরাইট করা সংবাদ তুলে ধরা হলো—
শিরোনাম:
তারেক রহমানের বরিশাল সফর আবারও অনিশ্চিত, নির্বাচনী জনসভা আপাতত স্থগিত
সংবাদ:
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল সফরের দিনক্ষণ নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। একাধিকবার সময়সূচি পরিবর্তনের পর আপাতত তাঁর নির্বাচনী জনসভার কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার বরিশাল সফরের কথা থাকলেও শনিবার বিকেলে সেই তারিখও পেছানো হয়। ফলে কবে তিনি বরিশাল সফরে আসবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এর আগে তারেক রহমানের বরিশাল সফরসূচি ২৬ জানুয়ারি নির্ধারিত ছিল। পরে তা পরিবর্তন করে ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হলেও শেষ পর্যন্ত সেটিও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন,
‘শুরুতে ২৬ জানুয়ারি বরিশালে তারেক রহমানের আগমনের কথা ছিল। পরে তা পরিবর্তন করে ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। তবে আপাতত তাঁর সফরসূচি চূড়ান্ত হয়নি।’
সফরসূচি নিয়ে বারবার পরিবর্তনের কারণে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যেও অপেক্ষা ও কৌতূহল বাড়ছে। নতুন তারিখ নির্ধারিত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।
চাইলে আমি এটিকে সংক্ষিপ্ত ব্রেকিং নিউজ, অনলাইন পোর্টাল স্টাইল, অথবা ফেসবুক পোস্ট ফরম্যাটেও সাজিয়ে দিতে পারি।
নিচে আপনার দেওয়া তথ্যকে সংক্ষেপ ও প্রাঞ্জলভাবে রিরাইট করে সংবাদ আকারে সাজানো হলো—
শিরোনাম:
জামালপুরে গণভোট প্রচারণা সীমিত, ভোটারের বড় অংশ এখনো অনভিজ্ঞ
সংবাদ:
নির্বাচনের বাকি মাত্র দুই সপ্তাহ। অভ্যুত্থানের স্বীকৃতির জন্য এই নির্বাচনে গণভোট সংযোজিত হলেও জামালপুরের বেশিরভাগ ভোটারের কাছে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের স্পষ্ট ধারণা পৌঁছায়নি।
জেলা তথ্য অফিসকে ২১ লাখ ভোটারের জন্য মাত্র ২ লাখ ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। অর্থাৎ, ভোটার প্রতি খরচ গড়ে মাত্র ৯ পয়সা। ফলস্বরূপ, প্রচারণা সীমিত, এবং বেশিরভাগ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছায়নি।
তথ্য অফিসের পাশাপাশি জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্যানারের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে। তবুও প্রান্তিক এলাকায় এখনো অনেক ভোটার গণভোট সম্পর্কে অবহিত নন। তারা বলছেন, প্রচারণা আরও বিস্তৃত করা দরকার।
জেলা তথ্য কর্মকর্তা জানান, সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও প্রান্তিক মানুষের কাছে প্রচারণা পৌঁছানোর জন্য যথাসাধ্য কাজ চলছে।
চাইলে আমি এটিকে আরও অনলাইন নিউজ পোর্টাল স্টাইল বা ফেসবুক/টুইটার সংক্ষিপ্ত সংস্করণ-এও সাজিয়ে দিতে পারি, যাতে পড়তে আরও আকর্ষণীয় হয়। আপনি কি সেটা চাইবেন?
আপনি যে তথ্যগুলো পাঠিয়েছেন, সেটাকে সংক্ষেপে এবং সোজাভাবে ক্রীড়া সংবাদ হিসেবে সাজানো যায়। নিচে একটি সংক্ষিপ্ত সংবাদ আকারে রিরাইট করা হলো:
শিরোনাম:
পাকিস্তান ঘোষণা করল ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড, বিশ্বকাপ বয়কটের গুঞ্জন তীব্র
সংবাদ:
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ অংশ নেওয়ার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ঘোষণা করল ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড। দলের নেতৃত্ব দেবেন সালমান আলী আঘা। পাকিস্তান গ্রুপ ‘এ’-তে থাকায় তাদের প্রথম ম্যাচ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রোববার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্কোয়াডের নাম ঘোষণা করেন পিসিবির হাই পারফরম্যান্স ডিরেক্টর আকিব জাভেদ। প্রথমবারের মতো আইসিসি মেগা ইভেন্টে সুযোগ পেয়েছেন সালমান আঘা, ফাহিম আশরাফ, খাজা মোহাম্মদ নাফে, মোহাম্মদ সালমান মির্জা, সাহিবজাদা ফারহান ও উসমান তারিক।
অভিজ্ঞ তারকা বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খান ও ফখর জামান দলে থাকায় ভারসাম্য বজায় রয়েছে। এছাড়াও নাসিম শাহ, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ নওয়াজ ও আবরার আহমেদ দলের গভীরতা বাড়াচ্ছেন।
এদিকে বিশ্বকাপ বয়কট নিয়ে বিতর্ক জোরাল। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতের ভেন্যুতে খেলার অনুরোধ বাতিল করলে পাকিস্তানও একই পথে হাঁটতে পারে এমন গুঞ্জন চলেছে। সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ মনে করেন, পাকিস্তানের জন্যও বয়কট করা উচিত। পিসিবির সাবেক চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি বলেছেন, যদি বোর্ড বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়, তিনি তা সমর্থন করবেন।
পাকিস্তান দল বিশ্বকাপের আগে লাহোরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের প্রস্তুতি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে, যা অনুষ্ঠিত হবে ২৯, ৩১ জানুয়ারি এবং ১ ফেব্রুয়ারি।