ইরানের হামলার আশঙ্কায় গোপনে বিমান বদল করেছিলেন ট্রাম্প
তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সময় সম্ভাব্য ইরানি হামলার হুমকির কারণে গোপনে বিমান পরিবর্তনের কথা স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিক্রেট সার্ভিস ও সামরিক কর্মকর্তাদের পরামর্শেই শেষ মুহূর্তে তাকে অন্য একটি বিমানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
৮ জুলাই আঙ্কারা থেকে ফেরার সময় ক্যামেরার সামনে ট্রাম্পকে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠতে দেখা গেলেও পরে ক্যাটারিং ট্রাক ব্যবহার করে তাকে গোপনে সি-৩২এ সামরিক বিমানে নেওয়া হয়। সাংবাদিক ও হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তাও তখন জানতেন না যে প্রেসিডেন্ট তাদের বিমানে নেই।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পকে বহনকারী বিমানে সম্ভাব্য ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার একটি বিশ্বাসযোগ্য হুমকি শনাক্ত করা হয়েছিল। ন্যাটো সম্মেলনস্থলের কাছাকাছি কাঁধ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ একজনকে দেখা যাওয়ার তথ্যও গোয়েন্দাদের কাছে ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে অন্য বিমানে যেতে বলেছিলেন এবং তিনি তাদের নির্দেশ অনুসরণ করেছেন। তবে হুমকির বিস্তারিত সম্পর্কে তিনি খুব বেশি কিছু জানতেন না বলেও জানান।
ঘটনাটি সামনে আসার পর প্রেসিডেন্টের সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিকদের সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি সম্পর্কে আগে জানানো উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)।