মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › জাতীয় › তৃতীয় স্বামী ডা. মঈন হাসান: ৩ বছর ধরে মমতাজের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই

তৃতীয় স্বামী ডা. মঈন হাসান: ৩ বছর ধরে মমতাজের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
তৃতীয় স্বামী ডা. মঈন হাসান: ৩ বছর ধরে মমতাজের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই

নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগের মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম গত ৫ আগস্টের পর থেকে টানা তিন মাস সিংগাইরে ভাইয়ের বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি একদিনের জন্যও বাড়ির বাইরে বের হননি বলে জানিয়েছেন তার ভাই এবারত হোসেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি যুগান্তরকে জানান, “শিল্পী আপা ৫ আগস্টের পরদিন থেকেই চরদুর্গাপুরে আমার বাড়িতে ছিলেন। আমার স্ত্রী ও সন্তান ছাড়া কেউ জানতো না। এমনকি পাশের বাড়ির মানুষও জানতো না তিনি এখানে আছেন।”

জানা গেছে, ওই বাড়িসহ আশপাশের এলাকাজুড়ে ছিল সিসি ক্যামেরার কঠোর নজরদারি। কোনো আগন্তুক এলে জানিয়ে দেওয়া হতো, বাড়িতে কেউ নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার নজর এড়িয়ে মমতাজ ওই বাড়িতে নির্ভার জীবনযাপন করেছেন।

এবারত আরও জানান, মমতাজের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী নিপার নামে ধানমন্ডিতে একটি বাসা ভাড়া নেওয়া হয়। এক রাতে বোরকা পরে গোপনে গ্রামের বাড়ি থেকে মাইক্রোবাসে করে সেখানে চলে যান তিনি। গাড়ির জানালাগুলো কালো রঙের ছিল।

নিপার স্বামী প্রবাসে থাকেন, তাই নিপাই দেখাশোনা করতেন মমতাজকে। আর অর্থ সরবরাহ করতেন মমতাজের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) জুয়েল।

মমতাজের তৃতীয় স্বামী ডা. এসএম মঈন হাসান জানিয়েছেন, মমতাজ কিছুদিন মোহাম্মদপুরে সাবেক দ্বিতীয় স্বামীর মেয়ের বাসায় ছিলেন, এরপর নিপার বাসায় ওঠেন। তবে ওই পরিবারের ঘনিষ্ঠ একজন এই তথ্য অস্বীকার করেছেন।

তিনি আরও জানান, মমতাজের নিজস্ব পাঁচতলা বাড়ি মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকায় বর্তমানে তার পিএস জুয়েল দখল করে রেখেছেন। এ বিষয়ে একাধিকবার ফোন করলেও জুয়েল সাড়া দেননি।

তিন বছর ধরে মমতাজের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই বলেও স্বীকার করেন তার তৃতীয় স্বামী ডা. মঈন।

এদিকে, সিংগাইর থানার ওসি জেওএম তৌফিক আজম বলেন, তিনি মাত্র দুই মাস হলো এখানে যোগ দিয়েছেন, তাই মমতাজের আত্মগোপন সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

উল্লেখ্য, সোমবার (তারিখ উল্লেখ করা হয়নি) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ধানমন্ডির একটি ভাড়া বাসা থেকে মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি চার দিনের পুলিশি রিমান্ডে রয়েছেন।