বুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › বিশ্ব › ট্রাম্পকে কেন মাঝে মাঝে বার্তা পাঠান, জানালেন মামদানি

ট্রাম্পকে কেন মাঝে মাঝে বার্তা পাঠান, জানালেন মামদানি

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের ‘অপ্রত্যাশিত’ সম্পর্ক ও মাঝে মাঝে বার্তা আদান-প্রদানের কারণ জানিয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি।


সম্প্রতি জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘জিমি কিমেল লাইভ!’-এ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি।


গত সপ্তাহে নিউইয়র্কের মেয়রের সরকারি বাসভবন গ্রেসি ম্যানশনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন মামদানি। গত ৪৪ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিউইয়র্কের মেয়রের সরকারি বাসভবনে গিয়ে বৈঠক করলেন। বৈঠকের পর ট্রাম্প মামদানির প্রশংসা করে বলেন, তিনি ভালো কাজ শুরু করেছেন এবং সফল মেয়র হবেন।


ট্রাম্প ও মামদানির মধ্যে বৈঠকটি রাজনৈতিকভাবে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়। কারণ মামদানি নিজেকে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন, অন্যদিকে ট্রাম্প বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্যে সমাজতন্ত্রের সমালোচনা করে থাকেন।


টেলিভিশন অনুষ্ঠানে উপস্থাপক জিমি কিমেল রসিকতা করে জানতে চান, শুরুতেই কি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল, নাকি মামদানি কোনো কৌশলে ট্রাম্পকে নিজের দিকে টেনে নিয়েছেন।


জবাবে মামদানি বলেন, বিষয়টি এমন নয়। ট্রাম্পের সঙ্গে তার অনেক বিষয়ে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে।


মামদানি জানান, তাদের আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল নিউইয়র্ক শহরের উন্নয়ন। দুজনেই শহরটিকে ভালোবাসেন এবং বৈঠকে নিউইয়র্কের মানুষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।


ট্রাম্পের সঙ্গে তাদের মাঝে মাঝে বার্তা আদান-প্রদান হয় কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মামদানি বলেন, হ্যাঁ, মাঝে মাঝে তাদের কথা বা বার্তা আদান-প্রদান হয়। তবে এসব যোগাযোগের বিষয় মূলত সানিসাইড ইয়ার্ড আবাসন প্রকল্প এবং নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সঙ্গে সম্পর্কিত।


অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে জিমি কিমেল মজা করে মামদানিকে ট্রাম্পের সঙ্গে একটি সেলফি তুলে তাকে পাঠানোর পরামর্শ দেন। তবে মামদানি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, নিউইয়র্কের মানুষের আবাসন ও জীবনযাত্রার সুযোগ নিশ্চিত করাই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।


মামদানির বক্তব্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের সঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে কাজ এগিয়ে নিতে তিনি যোগাযোগ বজায় রাখছেন।