বুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › বিশ্ব › বুদগামে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে লস্কর কমান্ডার হাশিম মুসা নিহত

বুদগামে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে লস্কর কমান্ডার হাশিম মুসা নিহত

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
বুদগামে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে লস্কর কমান্ডার হাশিম মুসা নিহত

জম্মু-কাশ্মিরের বুদগাম জেলায় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে লস্কর-ই-তাইয়েবার (এলইটি) কমান্ডার মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসা নিহত হয়েছেন। ভারতীয় কর্মকর্তারা তাকে পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তাইয়েবার একজন মোস্ট ওয়ান্টেড সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।


মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বুদগামের ইউসমার্গের কোরাগ এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান শুরু করে ভারতীয় সেনাবাহিনী, জম্মু-কাশ্মির পুলিশ ও কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলিবিনিময়ে এক জঙ্গি নিহত হন। পরদিন সকালে পালমাইদান এলাকায় তল্লাশির সময় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তিকে মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি আসিফ ফৌজি ও সুলাইমান নামেও পরিচিত ছিলেন। কর্মকর্তাদের দাবি, তিনি পাকিস্তানের নাগরিক এবং ২০২৩ সালে ভারতে অনুপ্রবেশের পর জম্মু-কাশ্মিরে সক্রিয় ছিলেন।


গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মুসাকে জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর একাধিক হামলার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল। তার বিরুদ্ধে পির পাঞ্জাল পর্বতমালার উভয় পাশে কয়েকটি হামলায় সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।


ভারতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দাবি, মুসা দীর্ঘদিন ধরে তাদের নজরদারিতে ছিলেন। তার অবস্থান সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পর দ্রুত অভিযান শুরু করা হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিনার কোর জানিয়েছে, অভিযানে একটি অস্ত্রসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।


মুসার বিরুদ্ধে জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর ২০২৩ ও ২০২৪ সালের কয়েকটি হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব ঘটনায় তার ভূমিকার বিষয়ে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর অভিযোগকে তদন্তসংশ্লিষ্ট দাবি হিসেবে দেখা হচ্ছে।


এদিকে, মুসার সঙ্গে লস্করের আরেক সদস্য সাজিদ জাটের যোগাযোগ ছিল বলেও গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের পেহেলগাম হামলার তদন্তেও মুসার নাম উঠে এসেছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন হামলায় সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো মূলত নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর দাবি।