শনিবার , ১৫ আগস্ট ২০২৬
শনিবার , ১৫ আগস্ট ২০২৬
হোমবিশ্বভারি বর্ষণ ও বন্যায় পাকিস্তানে প্রাণহানি অব্যাহত, ১০৫ জনের মৃত্যু

ভারি বর্ষণ ও বন্যায় পাকিস্তানে প্রাণহানি অব্যাহত, ১০৫ জনের মৃত্যু

favicon
অনলাইন সংস্করণ
ভারি বর্ষণ ও বন্যায় পাকিস্তানে প্রাণহানি অব্যাহত, ১০৫ জনের মৃত্যু

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় ভারতীয় দুটি ফিশিং ট্রলারসহ ৩৪ জেলেকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।


রোববার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাতে গভীর সমুদ্রের ফেয়ারওয়ে বয়া সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।


নৌবাহিনীর একটি সূত্র জানায়, আটককৃত ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে বেআইনিভাবে মাছ শিকার করছিল। অভিযান চালিয়ে ‘এফবি ঝড়’ ও ‘এফবি মঙ্গল চন্ডি-৩৮’ নামের দুটি ফিশিং ট্রলারসহ তাদের আটক করা হয়।


জব্দ করা ট্রলারগুলো থেকে প্রায় ১০০ মণ সামুদ্রিক মাছ, যার মধ্যে বিপুল পরিমাণ ইলিশও রয়েছে, তা উদ্ধার করা হয়েছে।


মোংলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, জব্দকৃত মাছগুলো নিলামে বিক্রির জন্য মৎস্য অফিসের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।


এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আটক জেলেদের মোংলা থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল।


পাকিস্তানে চলমান মৌসুমি বৃষ্টি ও এর ফলে সৃষ্ট বন্যায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ২১১ জনেরও বেশি।


জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) জানায়, গত ২৬ জুন থেকে ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর সামা টিভির।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃতদের মধ্যে ৪৯ জন শিশু, ৩৮ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী রয়েছে। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় খানেওয়ালে আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।


আহতের সংখ্যা ২১১ জন, যার মধ্যে ৮১ জন পুরুষ, ৮২ জন শিশু এবং ৪৮ জন নারী।


বৈরি আবহাওয়া শুধু প্রাণহানিই ঘটায়নি, বরং দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। আকস্মিক বন্যা ও ভারি বর্ষণে ১০ কিলোমিটারেরও বেশি সড়ক এবং নয়টি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে ১৪৫টি বাড়ি এবং আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৩১০টি।


সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশ। প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) জানিয়েছে, সেখানে এই মৌসুমে বৃষ্টিপাতে ৪৪ জনের মৃত্যু এবং ১৩৪ জনের আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।


পাঞ্জাবে ৫০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ছয়টি গবাদি পশু মারা গেছে। ভবন ধসে মারা গেছে ২৭ জন, বজ্রপাতে পাঁচজন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চারজন এবং বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছে আটজন।


পিডিএমএ মহাপরিচালক জানিয়েছেন, আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্ষাকাল জুড়ে জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়ে ইতোমধ্যে কঠোর নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে।