শুক্রবার , ২১ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার , ২১ আগস্ট ২০২৬
হোমজাতীয়সুষ্ঠু ভোটের চ্যালেঞ্জ: প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা অপরিহার্য

সুষ্ঠু ভোটের চ্যালেঞ্জ: প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা অপরিহার্য

favicon
অনলাইন সংস্করণ
সুষ্ঠু ভোটের চ্যালেঞ্জ: প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা অপরিহার্য

ভোটার নিজের ইচ্ছায় কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার স্বাভাবিক অধিকার দীর্ঘ সময় ধরে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে আসছিল। পরপর তিনটি নির্বাচনে বিতর্ক এবং আস্থাহীনতা তৈরি হওয়ার পর, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকার সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে।


বিশ্লেষকরা বলছেন, অতীতের আস্থা পুনঃস্থাপনই নির্বাচন কমিশনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ভোটারদের আস্থা অর্জন, নির্বাচনের পুরো সময়জুড়ে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবেলা করতে হবে কমিশনকে।


সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “অন্যায় না করলেও সন্দেহ থাকে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো জনগণের আস্থা অর্জন। রাজনৈতিক দলগুলোকেও আস্থা অর্জনের দায়িত্ব নিতে হবে। ব্যর্থ হলে বিপর্যয় অপেক্ষা করছে।”

নির্বাচন বিশ্লেষক জেসমিন টুলি বলেন, “দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা একটি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। ভোটারের মধ্যে চিন্তা আছে। আস্থা বাড়াতে নির্বাচন কমিশনকে দৃশ্যমান কার্যক্রম চালাতে হবে, প্রচারণা বাড়াতে হবে এবং ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানাতে হবে।”


ইসি ইতিমধ্যেই শক্তিশালী কমিশনের জন্য ভোট বাতিল, নির্বাচিত হওয়ার পরও প্রার্থিতা বাতিলের মতো বিষয়গুলো আচরণ বিধিতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে। এগুলো অধ্যাদেশ হিসেবে জারির অপেক্ষায় আছে।


বদিউল আলম মজুমদার ও জেসমিন টুলি একমত, রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে যাতে সব প্রার্থী সমান সুযোগ পায়। সরকারের প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা পালন না করলে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারবে না।