মঙ্গলবার , ১৮ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার , ১৮ আগস্ট ২০২৬
হোমজাতীয়রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও তাদের সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমার সরকারের দেওয়া সাম্প্রতিক বিবৃতির ব্যাখ্যা চেয়ে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত হন। বৈঠকে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমারের দেওয়া তথ্যকে সঠিক নয় বলে উল্লেখ করে জাতিসংঘের নিবন্ধিত তথ্যকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে তুলে ধরে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব এ কে এম শহীদুল করিম বিবিসি বাংলাকে বলেন, মিয়ানমার সরকারের প্রকাশিত একটি বিবৃতির বিষয়ে আলোচনা করতেই রাষ্ট্রদূতকে ডাকা হয়েছে। এর আগে শনিবার মিয়ানমার সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় তিন লাখ মানুষ রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দা। রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের মধ্যে প্রায় তিন লাখ শরণার্থীকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আগ্রহের কথাও জানায় দেশটি। তবে ওই বিবৃতিতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মিয়ানমারের এমন বক্তব্যের পরই রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশ। ঢাকা এর আগে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ও পরিচয় নিয়ে মিয়ানমারের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়ে আসছে এবং প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও তাদের সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমার সরকারের দেওয়া সাম্প্রতিক বিবৃতির ব্যাখ্যা চেয়ে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত হন। বৈঠকে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমারের দেওয়া তথ্যকে সঠিক নয় বলে উল্লেখ করে জাতিসংঘের নিবন্ধিত তথ্যকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে তুলে ধরে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব এ কে এম শহীদুল করিম বিবিসি বাংলাকে বলেন, মিয়ানমার সরকারের প্রকাশিত একটি বিবৃতির বিষয়ে আলোচনা করতেই রাষ্ট্রদূতকে ডাকা হয়েছে। এর আগে শনিবার মিয়ানমার সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় তিন লাখ মানুষ রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দা। রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের মধ্যে প্রায় তিন লাখ শরণার্থীকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আগ্রহের কথাও জানায় দেশটি। তবে ওই বিবৃতিতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মিয়ানমারের এমন বক্তব্যের পরই রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশ। ঢাকা এর আগে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ও পরিচয় নিয়ে মিয়ানমারের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়ে আসছে এবং প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে।

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও তাদের সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমার সরকারের দেওয়া সাম্প্রতিক বিবৃতির ব্যাখ্যা চেয়ে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।  মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত হন। বৈঠকে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমারের দেওয়া তথ্যকে সঠিক নয় বলে উল্লেখ করে জাতিসংঘের নিবন্ধিত তথ্যকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে তুলে ধরে।  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব এ কে এম শহীদুল করিম বিবিসি বাংলাকে বলেন, মিয়ানমার সরকারের প্রকাশিত একটি বিবৃতির বিষয়ে আলোচনা করতেই রাষ্ট্রদূতকে ডাকা হয়েছে।  এর আগে শনিবার মিয়ানমার সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় তিন লাখ মানুষ রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দা। রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের মধ্যে প্রায় তিন লাখ শরণার্থীকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আগ্রহের কথাও জানায় দেশটি।  তবে ওই বিবৃতিতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মিয়ানমারের এমন বক্তব্যের পরই রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশ।  ঢাকা এর আগে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ও পরিচয় নিয়ে মিয়ানমারের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়ে আসছে এবং প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও তাদের সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমার সরকারের দেওয়া সাম্প্রতিক বিবৃতির ব্যাখ্যা চেয়ে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত হন। বৈঠকে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমারের দেওয়া তথ্যকে সঠিক নয় বলে উল্লেখ করে জাতিসংঘের নিবন্ধিত তথ্যকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে তুলে ধরে।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব এ কে এম শহীদুল করিম বিবিসি বাংলাকে বলেন, মিয়ানমার সরকারের প্রকাশিত একটি বিবৃতির বিষয়ে আলোচনা করতেই রাষ্ট্রদূতকে ডাকা হয়েছে।


এর আগে শনিবার মিয়ানমার সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় তিন লাখ মানুষ রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দা। রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের মধ্যে প্রায় তিন লাখ শরণার্থীকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আগ্রহের কথাও জানায় দেশটি।


তবে ওই বিবৃতিতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মিয়ানমারের এমন বক্তব্যের পরই রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশ।


ঢাকা এর আগে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ও পরিচয় নিয়ে মিয়ানমারের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়ে আসছে এবং প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে।