শিক্ষার্থী ও এক্সচেঞ্জ ভিসা সাক্ষাৎকার বন্ধের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রে
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বিশ্বব্যাপী মার্কিন দূতাবাসগুলোকে এফ, এম ও জে ক্যাটাগরির শিক্ষার্থী এবং এক্সচেঞ্জ ভিসার সাক্ষাৎকারের নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত রাখতে নির্দেশ দিয়েছে। মঙ্গলবার এই নির্দেশনা জারি করে বলা হয়, নতুন কোনো সাক্ষাৎকার নির্ধারণ করা যাবে না পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আরও কঠোরভাবে যাচাই করা হবে। ইনস্টাগ্রাম, এক্স (সাবেক টুইটার), টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আবেদনকারীদের পোস্ট, মন্তব্য ও শেয়ার খতিয়ে দেখা হবে—জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরশীল এবং যেগুলোকে ট্রাম্প সম্প্রতি ‘চরম বামপন্থী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে অপারেশন ও ভেটিং প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন চলছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের ব্যাপক পরিকল্পনা খুব শিগগিরই কার্যকর হবে।
এছাড়া, মার্চ মাসে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফিলিস্তিনপন্থী ছাত্রদের বিক্ষোভের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কনসুলার অফিসারদের বিতর্কিত পোস্টের স্ক্রিনশট সংরক্ষণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে, এমনকি ডিলিট করা হলেও।মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মার্চে এই সংখ্যা ছিল তিন শতাধিক।