সংসদে প্রতিধ্বনিবিহীন আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম বসানোর সুপারিশ
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ এক মাস পেরিয়ে আরো জটিল রূপ নিচ্ছে। এরই মধ্যে জাতির উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১ এপ্রিল) ইস্টার্ন টাইম রাত ৯টায় (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা) তিনি হোয়াইট হাউস থেকে এই ভাষণ দেবেন।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ইরান ইস্যুতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেশবাসীকে জানাতেই এই ভাষণের আয়োজন করা হয়েছে।
এর আগে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প একটি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন। তিনি দাবি করেন, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান শেষ হতে পারে। এমনকি ইরানিদের সঙ্গে একটি ‘সম্ভাব্য চুক্তি’ হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানান তিনি।
তবে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে এই সংঘাতের সূচনা হয়। ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে এক মাস পেরিয়ে গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বরং দুবাই বন্দরে তেলের ট্যাংকারে হামলা এবং পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলায় মধ্যপ্রাচ্য এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
যুদ্ধের শুরুতেই ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে দেশটি কেবল তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে। বিশ্ব জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা ফেরাতে এখন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে এই প্রণালিটি পুনরায় উন্মুক্ত করা। ট্রাম্পের আজকের ভাষণে হরমুজ প্রণালি নিয়ে কোনো বিশেষ ঘোষণা আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ববাজার।
সূত্র : সিএনএন Rewrite the news and headlines
শিরোনাম:
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত আরও জটিল, জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন Donald Trump
সংবাদ:
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত এক মাস পেরিয়ে আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। বুধবার (১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের সময় রাত ৯টায়, যা বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা, White House থেকে তিনি এ ভাষণ দেবেন।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি Karoline Leavitt সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইরান প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতেই এই ভাষণের আয়োজন করা হয়েছে।
এর আগে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান শেষ হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য একটি সমঝোতার কথাও উল্লেখ করেন।
তবে যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতা ভিন্ন চিত্র দেখাচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে সংঘাতের সূচনা হয়। দ্রুত সমাপ্তির আশ্বাস দেওয়া হলেও এক মাস পেরিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বরং দুবাই বন্দরে তেলবাহী জাহাজে হামলা এবং পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
সংঘাতের শুরুতেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz বন্ধ করে দেয় ইরান। বর্তমানে দেশটি শুধু মিত্র দেশগুলোর জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে। ফলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রণালিটি পুনরায় চালু করা যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্যগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।
বিশ্ববাসী এখন ট্রাম্পের ভাষণের দিকে তাকিয়ে আছে—বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ও চলমান সংঘাত নিয়ে তিনি নতুন কোনো ঘোষণা দেন কি না, সেটিই দেখার বিষয়।
এক–এগারোর সময় বা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, স্বপ্রণোদিতভাবে তা ট্রাইব্যুনাল (তদন্ত সংস্থা) তদন্ত করবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, যদি সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়, ট্রাইব্যুনালে বিচারের সম্মুখীন করা হবে।
গতকাল মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।
আমরা এক কথায় কি বলতে পারব যে ক্রসফায়ারের সব ঘটনা ট্রাইব্যুনাল তদন্ত করবে।
যেটা এখানে বিচার হওয়ার মতো সেখানে হবে, বাকিটা অন্য…, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে জবাবে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘যেসব ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে...বৈষম্যবিরোধী–সংক্রান্ত যে মামলাগুলো হয়েছে, ইভেন দেন (এমনকি) এক–এগারোর সময় যেসব মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনা ঘটেছে; সেগুলো যদি আমাদের এই ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারভুক্ত হয়, সেগুলো আমরা তুলে নিয়ে আসব।’
এক–এগারোর একজন কুশীলব বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছের, তাকে কি ট্রাইব্যুনালে কোনো মামলায় আনা হবে? আরেক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এক–এগারোর সময় বা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, ট্রাইব্যুনাল সুয়োমোটো (স্বপ্রণোদিত) সেগুলো ইনভেস্টিগেশন (তদন্ত) করবে। যদি সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়, ট্রাইব্যুনালে বিচারের সম্মুখীন করা হবে।
আরো পড়ুন
আমির হামজাকে ‘পাগল’ বললেন আলেম-ওলামারা
আমির হামজাকে ‘পাগল’ বললেন আলেম-ওলামারা
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনা হস্তক্ষেপে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।
শিরোনাম:
এক–এগারো ও ক্রসফায়ার: প্রমাণ মিললে ট্রাইব্যুনালে বিচার—চিফ প্রসিকিউটর
সংবাদ:
এক–এগারোর সময়কাল কিংবা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে স্বপ্রণোদিতভাবে তদন্ত চালাবে ট্রাইব্যুনাল—এমনটাই জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার International Crimes Tribunal Bangladesh–এ নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যেসব ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার রয়েছে, সেগুলো তদন্ত করে প্রয়োজন হলে বিচার প্রক্রিয়ায় আনা হবে।
ক্রসফায়ারের সব ঘটনা কি ট্রাইব্যুনাল তদন্ত করবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেন, সব ঘটনা নয়; কেবল যেগুলো ট্রাইব্যুনালের আওতায় পড়ে এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, সেগুলোই তদন্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এক–এগারোর সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ বা বৈষম্যবিরোধী সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো যদি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারভুক্ত হয়, তাহলে সেগুলোও তদন্তের আওতায় আনা হবে।
বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছের–এর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর জানান, নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নয়, বরং যার বিরুদ্ধেই সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেই তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া চলবে।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির জরুরি অবস্থা–এর মাধ্যমে দেশে সেনা–সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল, যা ‘এক–এগারো’ নামে পরিচিত।
কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে ‘পাগল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন সিরাজগঞ্জের আলেম-ওলামারা। তার সংসদীয় পদ বাতিল করে পাবনার ‘পাগলা গারদে’ ভর্তি করার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
গত সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় শহরের বাজার স্টেশন মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এক প্রতিবাদ ও ঘৃণা সমাবেশে এ দাবি জানান তারা।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক বলার প্রতিবাদে মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে জেলার সর্বস্তরের আলেম ওলামা এই সমাবেশের আয়োজন করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, “মুফতি আমির হামজা আদৌ ‘মুফতি’ হয়েছে কি না, সেটা আমাদের জানা নেই। মুফতি আমির হামজা জাতে পাগল তালে ঠিক। টুকুকে নাস্তিক বলেছে, ইসলামবিরোধী বলেছে। তিনি ওয়াজ মাহফিলে গিয়ে ইন্ডিয়ার নায়িকা রাশমিকা মানদানার কথা বলেন, তাকে না পাওয়ার বেদনায় উন্মাদ হয়ে গেছেন।
শিরোনাম:
মুফতি আমির হামজাকে ঘিরে সিরাজগঞ্জে সমাবেশ, তীব্র সমালোচনা আলেমদের
সংবাদ:
কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা–কে ঘিরে সিরাজগঞ্জে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তীব্র সমালোচনা করেছেন আলেম-ওলামারা।
সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় শহরের বাজার স্টেশন মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এ সমাবেশে জেলার বিভিন্ন স্তরের আলেমরা অংশ নেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু–কে নাস্তিক বলার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দায়িত্বশীল পদে থেকে কাউকে এ ধরনের মন্তব্য করা গ্রহণযোগ্য নয়। তারা অভিযোগ করেন, মুফতি আমির হামজা বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে বিতর্ক সৃষ্টি করছেন এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।
বক্তারা আরও দাবি জানান, তার বক্তব্যের বিষয়ে যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে তারা তার সংসদীয় পদ নিয়ে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, সমাবেশে বক্তারা তার কিছু ব্যক্তিগত মন্তব্য ও বক্তব্য নিয়েও সমালোচনা করেন, যা তারা অনভিপ্রেত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যা দেন।
শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে যৌথ ৫ দফা উদ্যোগ ঘোষণা করেছে চীন ও পাকিস্তান। বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
৫টি দফা হলো:
আরও দেখুন
TV & Video
Politics
Arts & Entertainment
১. বেসামরিক নাগরিক এবং কোনো অ-সামরিক স্থাপনা বা লক্ষ্যবস্তুর ওপর হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
২. সংঘাত নিরসনে অবিলম্বে সব ধরনের বৈরিতা বা যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে এবং এই সংঘাত যাতে নতুন কোনো অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. ইরান ও উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যত দ্রুত সম্ভব শান্তি আলোচনা শুরু করতে হবে। এই আলোচনা প্রক্রিয়া সফল করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দুই দেশ।
৪. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৫. জাতিসংঘের সনদ বা ইউএন চার্টার -এর সাথে সংগতি রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘমেয়াদী শান্তি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
শিরোনাম:
ইরান সংকট ঘিরে চীন–পাকিস্তানের যৌথ ৫ দফা শান্তি উদ্যোগ
সংবাদ:
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে যৌথভাবে ৫ দফা উদ্যোগ ঘোষণা করেছে China ও Pakistan। বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Wang Yi এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Ishaq Dar–এর বৈঠকের পর এ ঘোষণা আসে।
যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশ নিম্নলিখিত পাঁচটি দফা তুলে ধরে—
১. বেসামরিক নাগরিক ও অ-সামরিক স্থাপনার ওপর সব ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
২. সংঘাত নিরসনে দ্রুত যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে হবে এবং পরিস্থিতি যেন অন্য অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
৩. Iran ও উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দ্রুত শান্তি আলোচনা শুরু করতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে দুই দেশ।
৪. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz–এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৫. United Nations–এর সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘমেয়াদী শান্তি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
চীন ও পাকিস্তান মনে করছে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে চলমান সংকট প্রশমনের পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নিয়ে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি জানিয়েছেন, ইরান কোনো সাময়িক ‘যুদ্ধবিরতি’ চায় না, বরং তারা এই যুদ্ধের স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তি চায়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আল-জাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আরাগচি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো স্থায়ী সমাধানের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আর কোনো হামলা হবে না—এমন নিশ্চয়তা এবং চলমান যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ থাকতে হবে।
সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছিল যে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৫ দফা প্রস্তাবে ইরান সাড়া দিয়েছে। তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বর্তমানে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা আনুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে না। এটি সরাসরি বা আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাগচি জানান, অতীতের মতো এখনো তিনি মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফের কাছ থেকে বার্তা পাচ্ছেন।
তবে এটিকে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, এসব বার্তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পৌঁছানো হয় এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যেও কিছু যোগাযোগ রয়েছে। তবে ইরানের ভেতরে কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে চলমান উত্তেজনার মাঝে তিনি বলেন, প্রণালিটি বর্তমানে পুরোপুরি খোলা রয়েছে।
তবে একটি বিশেষ সতর্কতা দিয়ে তিনি জানান, যারা ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি শত্রুতায় লিপ্ত, তাদের জন্য এই পথ ব্যবহারের সুযোগ সীমিত করা হতে পারে। বিপরীতে, বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন ভাষণের প্রেক্ষাপটে আরাগচি বলেন, ‘ইরানের জনগণকে হুমকি দিয়ে কিছু অর্জন করা যাবে না।’ তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ইরানের সঙ্গে সম্মানজনক ভাষায় কথা বলার এবং আলোচনার পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, তেহরান এখন পর্যন্ত কোনো শর্ত বা প্রস্তাবের জবাব দেয়নি।
শিরোনাম:
যুদ্ধবিরতি নয়, স্থায়ী সমাধান চায় ইরান—পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি
সংবাদ:
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিয়ে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi। তিনি জানিয়েছেন, ইরান কোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে আগ্রহী নয়; বরং এই সংঘাতের স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তিই তাদের লক্ষ্য।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) Al Jazeera–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, যেকোনো স্থায়ী সমাধানের জন্য ভবিষ্যতে আর কোনো হামলা হবে না—এমন নিশ্চয়তা এবং চলমান যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফা পরিকল্পনায় ইরান সাড়া দিয়েছে—এমন গুঞ্জন সরাসরি নাকচ করেন তিনি। আরাগচি জানান, বর্তমানে United States–এর সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে না। বরং সরাসরি বা আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সীমিত পর্যায়ে বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে।
তিনি বলেন, অতীতের মতো এখনো মার্কিন দূত Steve Witkoff–এর কাছ থেকে বার্তা পাচ্ছেন, তবে এটিকে কোনো আনুষ্ঠানিক সংলাপ হিসেবে দেখা যাবে না। এসব যোগাযোগ মূলত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
Strait of Hormuz–এর পরিস্থিতি নিয়ে আরাগচি জানান, প্রণালিটি বর্তমানে খোলা রয়েছে। তবে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি শত্রুতায় জড়িত দেশগুলোর জন্য এই পথ ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হতে পারে। অন্যদিকে, বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর আসন্ন ভাষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হুমকি দিয়ে ইরানের কাছ থেকে কিছু আদায় করা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে তিনি সম্মানজনক ভাষায় আলোচনার পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান এবং স্পষ্ট করে দেন, তেহরান এখন পর্যন্ত কোনো প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি।
দেশের ৩ জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) সকালের আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, বুধবার দুপুর ১টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেটের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শিরোনাম:
৩ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
সংবাদ:
দেশের তিন জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার দুপুর ১টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে।
এ অবস্থায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
প্রকাশ: ৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৫৭
এক মাস চা পান না করলে শরীরে কী ঘটে?
জীবনযাপন ডেস্ক
এক মাস চা পান না করলে শরীরে কী ঘটে?
সংগৃহীত ছবি
আমাদের অনেকেরই দিন শুরু হয় এক কাপ গরম চা দিয়ে। ক্লান্তি দূর করতে বা কাজের ফাঁকে আড্ডায় চা ছাড়া যেন চলেই না। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবেছেন, মাত্র ৩০ দিন বা এক মাসের জন্য চা খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে আপনার শরীরে কী কী পরিবর্তন আসবে? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চা পানে যেমন উপকার আছে, তেমনি এটি হঠাৎ ছেড়ে দিলে শরীরে ভালো এবং মন্দ—উভয় ধরণের প্রভাব পড়তে পারে। চলুন, জেনে নিই।
পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন থেকে মুক্তি
চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাফেইন শরীরকে দ্রুত ডিহাইড্রেটেড বা পানিশূন্য করে ফেলে। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে চা খেলে এই সমস্যা বেশি হয়। এক মাস চা না খেলে আপনার শরীরের আর্দ্রতা বজায় থাকবে এবং ত্বক আরো সতেজ দেখাবে।
ঘুমের মান উন্নত হবে
অতিরিক্ত চা পানে অনেকেরই অনিদ্রার সমস্যা হয়।
ক্যাফেইন বাদ দিলে মস্তিষ্ক শান্ত থাকে, ফলে রাতে গভীর এবং ভালো ঘুম নিশ্চিত হয়।
সাময়িক কিছু অস্বস্তি
হঠাৎ চা ছেড়ে দিলে প্রথম কয়েকদিন কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যেমন: মাথাব্যথা ও ঝিমুনি ভাব এবং কাজের মনোযোগে ঘাটতি বা ব্রেন ফগ। এ ছাড়া শরীরে ক্লান্তি বা অবসাদ।
তবে চিকিৎসকরা বলছেন, এই সমস্যাগুলো স্থায়ী নয়। কয়েকদিন পর শরীর ক্যাফেইন ছাড়াই মানিয়ে নেয়।
হজম প্রক্রিয়া ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য
অতিরিক্ত চা পানের অভ্যাস ত্যাগ করলে অ্যাসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যা কমতে পারে। তবে মনে রাখবেন, চায়ের কিছু ভালো গুণও আছে। এটি শরীরে ক্যান্সার প্রতিরোধে এবং কোষের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
আপনি যদি চা ছাড়তে চান, তবে হঠাৎ করে বন্ধ না করে ধীরে ধীরে পরিমাণ কমিয়ে আনুন। এতে মাথাব্যথা বা ক্লান্তির মতো সমস্যাগুলো কম হবে। মানসিক চাপ কমাতে চায়ের বদলে ভেষজ চা (যেমন আদা বা তুলসী চা) ট্রাই করতে পারেন।
সূত্র : নিউজ ১৮
শিরোনাম:
এক মাস চা না খেলে শরীরে কী পরিবর্তন আসে?
সংবাদ:
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে চা। দিন শুরু থেকে আড্ডা—সব জায়গাতেই চায়ের উপস্থিতি। তবে এক মাসের জন্য চা পান বন্ধ করলে শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এতে যেমন কিছু উপকার পাওয়া যায়, তেমনি শুরুতে কিছু অস্বস্তিও দেখা দিতে পারে।
পানিশূন্যতা কমে
চায়ে থাকা ক্যাফেইন শরীর থেকে পানি বের করে দিতে পারে। ফলে নিয়মিত চা না খেলে শরীরের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং ত্বক আরও সতেজ দেখাতে পারে।
ঘুমের উন্নতি
অতিরিক্ত চা পানের কারণে অনেকের ঘুমের সমস্যা হয়। ক্যাফেইন বন্ধ হলে মস্তিষ্ক শান্ত থাকে, ফলে ঘুম গভীর ও স্বাভাবিক হয়।
শুরুর দিকে অস্বস্তি
হঠাৎ চা ছেড়ে দিলে প্রথম কয়েকদিন মাথাব্যথা, ঝিমুনি, মনোযোগে ঘাটতি (ব্রেন ফগ) এবং ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। তবে এসব সমস্যা সাময়িক—কিছুদিন পর শরীর অভ্যস্ত হয়ে যায়।
হজমের উন্নতি
অতিরিক্ত চা পানের অভ্যাস ত্যাগ করলে গ্যাস বা অ্যাসিডিটির সমস্যা কমতে পারে। এতে হজম প্রক্রিয়াও উন্নত হতে পারে।
তবে উপকারিতাও আছে
চায়ের কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দেয় এবং কিছু রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
চা একেবারে হঠাৎ বন্ধ না করে ধীরে ধীরে কমানো ভালো। প্রয়োজনে আদা বা তুলসীর মতো ভেষজ চা বিকল্প হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে, যা মানসিক চাপ কমাতেও সহায়ক।
লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা কানাডার প্রধানমন্ত্রীর cover the news
শিরোনাম:
লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা কানাডার প্রধানমন্ত্রীর
সংবাদ:
লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন Justin Trudeau। তিনি বলেন, চলমান হামলায় বেসামরিক মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে, যা গভীর উদ্বেগের বিষয়।
এক বিবৃতিতে Justin Trudeau সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান এবং দ্রুত সংঘাত বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে এগোনোর তাগিদ দেন। তিনি বিশেষভাবে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় Lebanon–এর সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সহিংসতা বাড়লে এর প্রভাব পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করা জরুরি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একসঙ্গে কাজ করে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে।
সাবেক সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদকে রাষ্ট্রপতি করার শর্তে ‘রাজি হয়েছিলেন’ শেখ হাসিনা। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ড বৈধতা দেওয়ার বিষয়েও একমত পোষণ করেছিলেন তিনি। এ ব্যাপারে রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকার সেফহোমে কারাবন্দি শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকেও অংশ নেন মইন উ আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তিনজন সদস্য, একটি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্তাব্যক্তি। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে রিমান্ডে থাকা সাবেক দুই লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও শেখ মামুন খালেদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে এসব বিষয় দাবি সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র বলছেন, শুধু দুই বছর নয়, মাইনাস টু ফর্মুলার মাধ্যমে অন্তত টানা ১০ বছরের ক্ষমতায় থাকার টার্গেট ছিল ওয়ান-ইলেভেন কুশীলবদের। সে পথেই এগোচ্ছিলেন তাঁরা। তবে অতিমাত্রায় দমনপীড়ন, রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার একের পর এক ঘটনায় দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়ে।
বন্ধ হয়ে যেতে থাকে কলকারখানা। সবশেষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের সঙ্গে সেনাসদস্যদের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় কুশীলবদের সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়।
লে. জেনারেল মামুন খালেদের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের পুরোটা সময় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের পার্ট দেখভাল করতেন মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন। বিএনপির অংশ দেখতেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ফজলুল বারী।
শুরুর চার-পাঁচ মাস এভাবে চললেও একপর্যায়ে সবকিছুই সমন্বয় করতে শুরু করেন এ টি এম আমিন। গুরুত্বহীন হয়ে পড়েন বারী। শেখ হাসিনাও তাঁর কমিটমেন্ট থেকে সরে যান। তবে সেইফ এক্সিট দেন মইন উ আহমেদকে।’
সূত্র বলছেন, ওয়ান-ইলেভেন শুরুর কিছুদিন পরই এ টি এম আমিনের হয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু করেন মামুন খালেদ।
শিরোনাম:
ওয়ান-ইলেভেন নিয়ে নতুন দাবি: শেখ হাসিনা–মইন উ আহমেদ সমঝোতার অভিযোগ
সংবাদ:
২০০৭ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ‘ওয়ান-ইলেভেন’ ঘিরে নতুন কিছু দাবি সামনে এসেছে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina নাকি সাবেক সেনাপ্রধান Moeen U Ahmed–কে রাষ্ট্রপতি করার শর্তে কিছু বিষয়ে সম্মত হয়েছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কর্মকাণ্ডকে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বৈধতা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল। এ লক্ষ্যে রাজধানীর একটি সেফহোমে বৈঠকে অংশ নেন Sheikh Hasina, Moeen U Ahmed, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কয়েকজন সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তারা।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে থাকা সাবেক দুই লেফটেন্যান্ট জেনারেল Masud Uddin Chowdhury ও Sheikh Mamun Khaled–এর দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে এসব দাবি করা হয়েছে।
সূত্র অনুযায়ী, ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি—প্রায় এক দশকের ক্ষমতা ধরে রাখার পরিকল্পনা ছিল সংশ্লিষ্টদের। তবে অতিরিক্ত দমন-পীড়ন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক সংকটের কারণে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সে সময় আওয়ামী লীগের দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল A T M Amin এবং বিএনপির অংশ তদারকি করতেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) Fazlul Bari। পরবর্তী সময়ে এ টি এম আমিন পুরো প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
তবে উল্লেখিত এসব তথ্য সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও প্রতিবেদনের সূত্রনির্ভর দাবি—এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরাসরি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের (১ এপ্রিল) কার্যসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে একটি নির্দিষ্ট দিনে প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বুধবার সংসদের মুলতবি অধিবেশনে বক্তব্যকালে এক সংসদ সদস্য এই প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিন—বিশেষ করে বুধবার—প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ রাখা হলে সংসদীয় কার্যক্রম আরো সুসংগঠিত হবে।
সংসদের স্পিকার মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে প্রশ্নটি রেফার করার নির্দেশ দেন এবং পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান।
শিরোনাম:
সংসদে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সংবাদ:
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরাসরি সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। এ জন্য আজকের (১ এপ্রিল) কার্যসূচিতে তার জন্য ৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়–এর এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে একটি নির্দিষ্ট দিনে প্রশ্নোত্তর পর্ব চালুর প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বুধবার মুলতবি অধিবেশনে এক সংসদ সদস্য এই প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে বলা হয়, সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিন—বিশেষ করে বুধবার—প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ রাখা হলে সংসদীয় কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে।
এ বিষয়ে সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রশ্নটি রেফার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং পরবর্তীতে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।
সারা দেশে আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া একই সময়ে দেশের ৪ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলেও সংস্থাটি পূর্বাভাস দিয়েছে।
বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আরো পড়ুন
বুড়িচংয়ে কাভার্ডভ্যানকে ট্রাকের ধাক্কা, ২ চালক নিহত
বুড়িচংয়ে কাভার্ডভ্যানকে ট্রাকের ধাক্কা, ২ চালক নিহত
এতে বলা হয়েছে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।
পাশাপাশি রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।
মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জে ৩৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে কুমিল্লায় ৪১ মিলিমিটার।
শিরোনাম:
২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা বাড়তে পারে ২ ডিগ্রি, ৪ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
সংবাদ:
আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে।
বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়, দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
অন্যদিকে, দেশের বাকি এলাকায় আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে এবং মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর–এ রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জ–এ ৩৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে কুমিল্লা–তে ৪১ মিলিমিটার।
শেরপুরে শ্রীবরদীতে সড়কের পাশে পড়ে থাকা একটি পরিত্যক্ত ট্রাংক থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শ্রীবরদী থানা পুলিশ শ্রীবরদী পৌর শহরের তাতিহাটি এলাকার ডালিবাড়ী মোড়ের সড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি তোষক ও চাদরে মোড়ানো অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে স্থানীয় কয়েকজন জানান, সকালে শ্রীবরদী শহরের দিক থেকে আসা একটি রিকশা-ভ্যান থেকে মরদেহভর্তি ট্রাংকটি সড়কের পাশে নামিয়ে রাখা হয়।
কিন্তু দীর্ঘসময় অতিবাহিত হলেও ট্রাংকটি কেউ নিতে না আসায় কাছে গিয়ে তারা মাছি উড়তে দেখেন। পরে ঘটনাটি শ্রীবরদী থানা পুলিশকে জানানো হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে ট্রাংকটি খুলে তোষক ও চাদরে মোড়ানো অবস্থায় মাঝবয়সী নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আরো পড়ুন
নবীগঞ্জে বজ্রপাতে নিহত ১, আহত ৩
নবীগঞ্জে বজ্রপাতে নিহত ১, আহত ৩
শ্রীবরদী থানার ওসি নুরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সড়কের পাশে একটি পরিত্যাক্ত ট্রাংক দেখতে পেয়ে স্থানীয়দে সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে জানান। ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাংকটি খুলে তোষক ও চাদরে মোড়ানো অর্ধগলিত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, অন্য কোথাও হত্যার পর মরদেহটি লুকানোর জন্য ট্যাংকে ভরে এখানে এনে সড়কের পাশে ফেলে রাখা হতে পারে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করা হবে বলে জানান তিনি।
শিরোনাম:
শেরপুরে ট্রাংক থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
সংবাদ:
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় সড়কের পাশ থেকে একটি পরিত্যক্ত ট্রাংক খুলে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শ্রীবরদী থানা পুলিশ পৌর শহরের তাতিহাটি এলাকার ডালিবাড়ী মোড় সংলগ্ন সড়ক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহটি তোষক ও চাদরে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে শ্রীবরদী শহরের দিক থেকে আসা একটি রিকশা-ভ্যান থেকে ট্রাংকটি সড়কের পাশে নামিয়ে রাখা হয়। দীর্ঘ সময় কেউ সেটি নিতে না আসায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাংকটি খুলে মরদেহটি উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে নুরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হত্যার পর মরদেহটি ট্রাংকে ভরে এখানে ফেলে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে আলোচনা হলেও তা নিষ্পত্তি না হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি উত্থাপিত হয়। এ সময় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দ্রুত পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানানো হয়।
তবে দীর্ঘ আলোচনার পরও এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত বা সময়সূচি নির্ধারণ না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে একযোগে ওয়াকআউট করেন বিরোধীদলীয় সদস্যরা।
ওয়াকআউটের আগে বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতারা বলেন, সংবিধান সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান না থাকা দুঃখজনক। তারা দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
এদিকে সরকারপক্ষের সদস্যরা বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
শিগগিরই একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে।’
শিরোনাম:
সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে সংসদে উত্তেজনা, ওয়াকআউট বিরোধী দলের
সংবাদ:
সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ইস্যুতে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত না আসায় ডা. শফিকুর রহমান–এর নেতৃত্বে বিরোধী দল ওয়াকআউট করেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদ–এর অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি উত্থাপিত হয়। এ সময় বিরোধী দল দ্রুত পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানায়।
তবে দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি বা সিদ্ধান্ত ঘোষণা না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে একযোগে অধিবেশন ত্যাগ করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা।
ওয়াকআউটের আগে বিরোধী নেতারা বলেন, সংবিধান সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান না থাকা হতাশাজনক। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে সরকারপক্ষের সদস্যরা জানান, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং শিগগিরই একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে।
হৃদয় কমার্শিয়াল সিনেমার ওয়ান অব দ্য বেস্ট ডিরেক্টর : শাকিব খান
সংগৃহীত ছবি
ছোট পর্দায় দীর্ঘ ক্যারিয়ার হলেও গেল বছরে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তরুণ নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয়ের। নিজের প্রথম সিনেমাতেই পেয়ে যান ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানকে। এর পরের ইতিহাস সবারই জানা, শাকিব-হৃদয় জুটির ‘বরবাদ’ ইন্ডাস্ট্রির মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
সেই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে হৃদয়ের দ্বিতীয় সিনেমা ‘রাক্ষস’, যা প্রেক্ষাগৃহে দারুণ সাড়া ফেলেছে।
অন্যদিকে শাকিব খানও এবার ঈদে হাজির হয়েছেন ‘প্রিন্স’ নিয়ে।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরা সেন্টার পয়েন্টে ছিল ‘প্রিন্স’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনী। সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন মেহেদী হাসান হৃদয়ও।
নিজের সিনেমা নিয়ে কথা বলার ফাঁকে হৃদয়কে দেখে এগিয়ে হাত মেলান শাকিব খান।
এরপর উপস্থিত গণমাধ্যমের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘হৃদয় হচ্ছে কমার্শিয়াল সিনেমার ওয়ান অব দ্য বেস্ট ডিরেক্টর।’
শাকিব খানের মুখে হৃদয়ের এমন প্রশংসা শুনে উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে তাকে সমর্থন জানান।
ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়কের কাছ থেকে এমন প্রশংসা শুনে উচ্ছ্বসিত মেহেদী হাসান হৃদয়। কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘মেগাস্টার শাকিব খানের কাছ থেকে এমন প্রশংসা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।
তার এই কথাটুকু আমার অনেক দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে, আমি অনেক সম্মানিত বোধ করছি। ভেতরে সাহসটা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। সামনের কাজগুলোতে আরো ভালো কিছু করতে হবে, এখন এটাই আমার চ্যালেঞ্জ।’
হৃদয় আরো বলেন, “প্রিন্স সিনেমাটির শো শেষে শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে অনেকক্ষণ আড্ডা দিয়েছি, অনেক কথা হয়েছে। তিনি আমার ‘রাক্ষস’-এর টিজার, ট্রেলার এবং গান দেখেছেন, তার কাছে খুব ভালো লেগেছে বলেও জানিয়েছেন।
গানটা তার বেশ পছন্দ হয়েছে বললেন। এরপর আমার ছবিটি দেখার কথাও জানাই তাকে।’
এবারের ঈদে হৃদয়ের ‘রাক্ষস’-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ছিল শাকিবের ‘প্রিন্স’। তবে মুক্তির পরপরই নানা অব্যবস্থাপনার কারণে ‘প্রিন্স’ মূল প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়ে। অন্যদিকে ‘রাক্ষস’ বক্স অফিসে শক্ত অবস্থান ধরে রাখে।
এদিকে গতকাল থেকে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়াতে শাকিব খান-হৃদয় জুটিকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ তাদের আবারও একসঙ্গে নতুন সিনেমা নিয়ে আসার কথাও জানান।
এই প্রসঙ্গে হৃদয় বললেন, ‘আমি কাজের আগে কোনো কিছু বলাতে বিশ্বাসী নই। শুধু বলব, কিছু একটা তো হবে সামনে।’
বলা দরকার, মেহেদী হাসান হৃদয় পরিচালিত ‘রাক্ষস’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, সুস্মিতা চ্যাটার্জি (কলকাতা), আলী রাজ, সোহেল মণ্ডলসহ অনেকে। সিনেমাটির একটি আইটেম গানে অংশ নিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক।
শিরোনাম:
হৃদয় কমার্শিয়াল সিনেমার অন্যতম সেরা নির্মাতা—বললেন Shakib Khan
সংবাদ:
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক Shakib Khan তরুণ নির্মাতা Mehedi Hasan Hridoy–কে কমার্শিয়াল সিনেমার অন্যতম সেরা পরিচালক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরা সেন্টার পয়েন্টে ‘প্রিন্স’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে উপস্থিত হয়ে গণমাধ্যমের সামনে তিনি বলেন, “হৃদয় হচ্ছে কমার্শিয়াল সিনেমার ওয়ান অব দ্য বেস্ট ডিরেক্টর।” তার এমন মন্তব্যে উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান।
ছোট পর্দায় দীর্ঘদিন কাজ করার পর বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে Mehedi Hasan Hridoy–এর। তার প্রথম সিনেমা ‘বরবাদ’-এ Shakib Khan–এর সঙ্গে কাজ করে তিনি ব্যাপক সাড়া ফেলেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের ঈদে মুক্তি পেয়েছে তার দ্বিতীয় সিনেমা ‘রাক্ষস’, যা প্রেক্ষাগৃহে ভালো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে।
অন্যদিকে একই ঈদে Shakib Khan অভিনীত ‘প্রিন্স’ সিনেমাও মুক্তি পায়। তবে মুক্তির পর কিছু ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে ছবিটি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে, যেখানে ‘রাক্ষস’ বক্স অফিসে শক্ত অবস্থান ধরে রাখে।
শাকিব খানের কাছ থেকে এমন প্রশংসা পেয়ে উচ্ছ্বসিত Mehedi Hasan Hridoy বলেন, এটি তার জন্য বড় অর্জন এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা। তিনি জানান, ‘প্রিন্স’ সিনেমার প্রদর্শনী শেষে তাদের মধ্যে দীর্ঘ সময় আড্ডা হয়েছে এবং শাকিব তার ‘রাক্ষস’ সিনেমার টিজার, ট্রেলার ও গান পছন্দ করেছেন।
ভবিষ্যতে তাদের আবার একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, “কিছু একটা তো হবে সামনে।”
উল্লেখ্য, ‘রাক্ষস’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন Siam Ahmed, Susmita Chatterjee, Ali Raj এবং Sohel Mondol। এছাড়া একটি আইটেম গানে অংশ নিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী Natalia Janoszek।
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে আটক আসামি থানা হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, আসামি পলায়নের ঘটনায় জহিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিওয়া হবে।
এর আগে গত ৩০ মার্চ আসামি ইসমাইলকে উপজেলার দুবাই প্লাজার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়। পরে এসআই অজিত কুমার তাকে সেকেন্ড অফিসার জহিরুল ইসলামের রুমে বসালে সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যায় ইসমাইল।
পরের দিন সকালে বিষয়টি জানাজানি হয়।
পালিয়ে যাওয়া আসামি ইসমাঈলকে ৩১ মার্চ রাতে উপজেলার চর উচিৎপুরা বাজার এলাকা থেকে পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শিরোনাম:
আড়াইহাজারে থানা হেফাজত থেকে আসামি পলায়ন, এসআই প্রত্যাহার
সংবাদ:
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় থানা হেফাজত থেকে এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম–কে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, আসামি পলায়নের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
জানা যায়, গত ৩০ মার্চ আসামি ইসমাইল–কে উপজেলার দুবাই প্লাজার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়। পরে এসআই অজিত কুমারের মাধ্যমে তাকে সেকেন্ড অফিসার জহিরুল ইসলামের কক্ষে বসানো হলে সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়।
ঘটনাটি পরদিন সকালে জানাজানি হয়। তবে অভিযান চালিয়ে ৩১ মার্চ রাতে উপজেলার চর উচিৎপুরা বাজার এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়া ওই আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
লক্ষ্যটা ৩৪৭ রানের। ধুন্ধুমার চার-ছক্কার এই যুগেও ওয়ানডে ক্রিকেটে এমন লক্ষ্য সফলভাবে তাড়া করা সহজ কাজ নয়। মেয়েদের ওয়ানডেতে তো কাজটা ভীষণ কঠিন।
তার ওপর এই বিশাল লক্ষ্যের পিছু ছুটতে গিয়ে কোনো দল যদি ১৩০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে, তাহলে জয়ের সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে আসে।
ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে খেলা দেখতে যাওয়া নিউজিল্যান্ড নারী দলের সমর্থকরাও নিশ্চয় আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু আমেলিয়া কার যে ভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন! তার অধিনায়কোচিত ইনিংসে অসাধ্য সাধন করল নিউজিল্যান্ড। মেয়েদের ওয়ানডেতে রান তাড়ার বিশ্বরেকর্ড গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজে সমতা আনল তারা।
সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আজ টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ৩৪৬ রান করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা নারী দল।
জবাবে আমেলিয়া কারের ১৩৯ বলে অপরাজিত ১৭৯ রানের সুবাদে ২ বল ও ২ উইকেট বাকি রেখে লক্ষ্য টপকে গেছে নিউজিল্যান্ড নারী দল।
নিউজিল্যান্ড আজ ভেঙে দিয়েছে মাত্র ৫ মাস আগে গড়া ভারতের বিশ্বরেকর্ড। গত ৩০ অক্টোবর মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ৩৩৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ফাইনালে উঠেছিল ভারতের মেয়েরা। পরে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নও হয়েছিল।
সেদিন ভারতের জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন জেমিমা রদ্রিগেজ। ১২৭ রানে অপরাজিত থেকে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি।
আর আজ নিউজিল্যান্ডকে সিরিজে সমতায় ফেরাতে আমেলিয়া কার উপহার দিলেন ১৭৯ রান। মহাকাব্যিক ইনিংসে ২৩ চারের পাশাপাশি ১ ছক্কা মেরেছেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক। প্রত্যাশিতভাবে ম্যাচসেরার পুরস্কার তার হাতে উঠেছে।
শিরোনাম:
আমেলিয়া কারের ১৭৯ রানে বিশ্বরেকর্ড রান তাড়া, নিউজিল্যান্ডের ঐতিহাসিক জয়
সংবাদ:
৩৪৭ রানের বিশাল লক্ষ্য—যা নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে তাড়া করে জেতা প্রায় অসম্ভব বলেই ধরা হয়। কিন্তু সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করে দেখাল নিউজিল্যান্ড নারী দল, নেতৃত্বে ছিলেন Amelia Kerr।
ওয়েলিংটনের Basin Reserve–এ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে প্রথমে ব্যাট করে South Africa women's cricket team ৬ উইকেটে ৩৪৬ রান তোলে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে New Zealand women's cricket team। ১৩০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের আশা প্রায় শেষ হয়ে যায়। তবে সেখান থেকেই অধিনায়কোচিত এক ইনিংস খেলেন Amelia Kerr।
তিনি ১৩৯ বলে অপরাজিত ১৭৯ রান করে দলকে ২ বল ও ২ উইকেট হাতে রেখেই অবিশ্বাস্য জয় এনে দেন। তার ইনিংসে ছিল ২৩টি চার ও ১টি ছক্কা।
এই জয়ের মাধ্যমে নারী ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছে নিউজিল্যান্ড। তারা ভেঙে দিয়েছে মাত্র পাঁচ মাস আগে গড়া India women's cricket team–এর রেকর্ড, যারা ৩৩৯ রান তাড়া করে জয় পেয়েছিল।
সেই ম্যাচে ভারতের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন Jemimah Rodrigues, আর আজ একইভাবে নিজের দলকে জিতিয়ে ইতিহাস গড়লেন আমেলিয়া কার। প্রত্যাশিতভাবেই ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তার হাতেই।
এই জয়ে সিরিজে সমতাও ফিরিয়ে এনেছে নিউজিল্যান্ড নারী দল।
Logo
Live
হোম জাতীয় রাজনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলাধুলা বিনোদন মতামত
আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধে সমর্থন না পাওয়ায়, ন্যাটো থেকে বের হওয়ার বিষয় গুরুত্বসহকারে ভাবছেন ট্রাম্প
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
596
Shares
facebook sharing buttonmessenger sharing buttontwitter sharing buttonwhatsapp sharing buttonprint sharing buttoncopy sharing button
ইরান যুদ্ধে সমর্থন না পাওয়ায়, ন্যাটো থেকে বের হওয়ার বিষয় গুরুত্বসহকারে ভাবছেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ন্যাটোর সমর্থন না পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটো থেকে বের করে নেওয়ার বিষয়টি তিনি এখন গুরুতরভাবে বিবেচনা করছেন। পাশাপাশি তিনি জোটটিকে 'কাগুজে বাঘ' বলে আখ্যা দেন এবং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সদস্যপদ রাখা এখন পুনর্বিবেচনারও বাইরে চলে গেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছেন।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে মিত্রদের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে সাড়া দেয়নি ন্যাটো দেশগুলো। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা ইরানের পদক্ষেপে কয়েক সপ্তাহ ধরে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের দামে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কাও বাড়ছে।
তিনি বলেন, আমরা সবসময় মিত্রদের পাশে থেকেছি, এমনকি ইউক্রেন ইস্যুতেও। কিন্তু তারা আমাদের জন্য সেখানে ছিল না। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও ন্যাটোর দুর্বলতা সম্পর্কে অবগত।
যুক্তরাজ্যকে আলাদা করে সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, দেশটির নৌবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং তারা এই যুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম নয়। পাশাপাশি তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার-এর প্রতিরক্ষা ব্যয় নীতিরও সমালোচনা করেন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়াকে দায়ী করেন।
তবে ট্রাম্পের এই মন্তব্যের জবাবে কিয়ার স্টারমার ন্যাটোর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এটি বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকর সামরিক জোট। তিনি স্পষ্ট করে দেন, ইরান যুদ্ধ ব্রিটেনের যুদ্ধ নয় এবং এতে জড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। একইসঙ্গে তিনি ইউরোপের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার ইঙ্গিত দেন।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ন্যাটোকে 'একপাক্ষিক সম্পর্ক' বলে সমালোচনা করে জানান, মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় ওয়াশিংটন অসন্তুষ্ট। তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করতে হতে পারে।
ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে ন্যাটোর কাঠামো পরিবর্তনের বিষয়েও আলোচনা চলছে। প্রস্তাবিত “পে-টু-প্লে” মডেলে প্রতিরক্ষা ব্যয়ে নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ না করা দেশগুলোর সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ সীমিত করা হতে পারে। পাশাপাশি জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ন্যাটোর অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী কোনো সদস্য রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে সেটিকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ধারা ইতিহাসে একবারই প্রয়োগ করা হয়েছে— ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর। তবে ইরান যুদ্ধ এই ধারার আওতায় পড়ে না, কারণ এটি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হয়েছে।
শিরোনাম:
ন্যাটো থেকে বের হওয়ার চিন্তা ট্রাম্পের, ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ক্ষোভ
সংবাদ:
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ন্যাটোর সমর্থন না পাওয়ায় জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। একই সঙ্গে তিনি NATO–কে ‘কাগুজে বাঘ’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) ব্রিটিশ দৈনিক The Telegraph–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের কারণে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz পুনরায় চালু করতে মিত্রদের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বানে সাড়া দেয়নি ন্যাটো দেশগুলো।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় মিত্রদের পাশে থেকেছে, কিন্তু প্রয়োজনের সময় তারা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ায়নি। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, Vladimir Putin ন্যাটোর দুর্বলতা সম্পর্কে অবগত।
যুক্তরাজ্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশটির নৌবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং তারা এই যুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম নয়। পাশাপাশি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী Keir Starmer–এর প্রতিরক্ষা ব্যয় নীতিরও সমালোচনা করেন।
তবে ট্রাম্পের এসব মন্তব্যের জবাবে Keir Starmer ন্যাটোর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এটি বিশ্বের অন্যতম কার্যকর সামরিক জোট। তিনি স্পষ্ট করেন, ইরান যুদ্ধ ব্রিটেনের যুদ্ধ নয় এবং এতে জড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio ন্যাটোকে ‘একপাক্ষিক সম্পর্ক’ বলে সমালোচনা করে জানান, মিত্ররা সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারে অনুমতি না দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র অসন্তুষ্ট। তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরান যুদ্ধ শেষে ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, NATO–এর অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী কোনো সদস্য রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে সেটিকে সকল সদস্যের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে বর্তমান ইরান সংঘাত এই ধারার আওতায় পড়ে না।
জাতীয় সংসদে নতুন সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের সুপারিশ করেছে সংসদ কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংসদ অধিবেশন কক্ষে শব্দ তৈরি হওয়ার এক সেকেন্ড বা তার কম সময়ের মধ্যে শোষণ করতে সক্ষম ও প্রতিধ্বনিবিহীন সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করতে হবে। এ বিষয়ে দ্রুততার সঙ্গে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদ কমিটির বৈঠকে ওই সুপারিশ করা হয়।
কমিটির সভাপতি ও চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, অলি উল্লাহ, সাইফুল আলম মিলন ও আবুল হাসনাত এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়, বৈঠকে সাউন্ড সিস্টেম ছাড়াও মানিক মিয়া এভিনিউতে অবস্থিত সংসদ সদস্য ভবন ও নাখালপাড়ায় অবস্থিত সংসদ সদস্য ভবনসমূহ বরাদ্দের নিমিত্ত সংস্কার ও মেরামত কাজের অগ্রগতি, সুপেয় পানি সংকট, সংসদ সদস্যদের জরুরি প্রয়োজনে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত ও এমপি হোস্টেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে ইন্টারনেটের ধীরগতি দূর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সংসদ এলাকায় পর্যাপ্ত সুপেয় পানি সরবরাহ ও আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে বাসা প্রস্তুতপূর্বক সংসদ সদস্যদের বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
শিরোনাম:
সংসদে প্রতিধ্বনিবিহীন আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম বসানোর সুপারিশ
সংবাদ:
জাতীয় সংসদে উন্নতমানের প্রতিধ্বনিবিহীন সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে যা শব্দ তৈরি হওয়ার এক সেকেন্ড বা তার কম সময়ের মধ্যে শোষণ করতে সক্ষম।
বুধবার জাতীয় সংসদ ভবন–এ অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম।
বৈঠকে কমিটির সদস্যরা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয় জানায়, সংসদ কক্ষের শব্দ প্রতিধ্বনি কমিয়ে কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বৈঠকে মানিক মিয়া এভিনিউ ও নাখালপাড়ায় অবস্থিত সংসদ সদস্যদের আবাসন ভবনের সংস্কার কাজের অগ্রগতি, সুপেয় পানির সংকট, চিকিৎসাসেবা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়েও আলোচনা হয়।
এ ছাড়া বৈঠকে মানিক মিয়া এভিনিউ ও নাখালপাড়ায় অবস্থিত সংসদ সদস্যদের আবাসন ভবনের সংস্কার কাজের অগ্রগতি, সুপেয় পানির সংকট, চিকিৎসাসেবা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়েও আলোচনা হয়।
কমিটি সংসদ এলাকায় পর্যাপ্ত সুপেয় পানি সরবরাহ, ইন্টারনেটের ধীরগতি দূর করা এবং আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে এমপি হোস্টেলের বাসা প্রস্তুত করে বরাদ্দ দেওয়ার সুপারিশও করেছে।