শনিবার , ১৫ আগস্ট ২০২৬
শনিবার , ১৫ আগস্ট ২০২৬
হোমআইন ও আদালতঅর্থপাচার মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস

অর্থপাচার মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
অর্থপাচার মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস

অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রিমান্ড শেষে শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।


বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


এর আগে রিমান্ড শেষে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে আদালতে হাজির করা হলে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর কে এম রাকিবুল হুদা তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।


আবেদনে বলা হয়, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় আসামির কাছ থেকে তার ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবের লেনদেন, অর্থের উৎস এবং অর্থ কোথায় ও কীভাবে ব্যয় হয়েছে—এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে এবং মানি লন্ডারিং মামলার তদন্তে সহায়ক হবে বলে তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে।


তদন্ত চলমান থাকায় এবং জামিন পেলে তদন্তে বিঘ্ন ঘটতে পারে—এ যুক্তিতে তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করা হয়। অপরদিকে আসামিপক্ষে আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় জামিনের আবেদন জানালেও শুনানি শেষে আদালত তা নাকচ করেন।


গত ১২ জুলাই সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের এসআই সাইফুল ইসলাম উত্তরা পশ্চিম থানায় প্রায় ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অর্থপাচারের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন। একই দিন গভীর রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালত তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠান।


মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস ব্যবসার আড়ালে হুন্ডির মাধ্যমে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তদন্তে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তকারীদের দাবি, তার নামে থাকা নয়টি ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও স্থান থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ জমার তথ্য মিলেছে, যা তার ঘোষিত ব্যবসার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।


তদন্ত সংস্থার অভিযোগ, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে এর প্রকৃত উৎস ও মালিকানা গোপনের চেষ্টা করেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতে বিচার কার্যক্রম এখনো চলমান এবং চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো বিচারাধীন।