শুক্রবার , ২১ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার , ২১ আগস্ট ২০২৬
হোমবিশ্বভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করলে তা ভালো পদক্ষেপ হবে: ট্রাম্প

ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করলে তা ভালো পদক্ষেপ হবে: ট্রাম্প

favicon
অনলাইন সংস্করণ
ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করলে তা ভালো পদক্ষেপ হবে: ট্রাম্প

রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি বন্ধের খবরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি এ খবরের সত্যতা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত নন বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১ আগস্ট) ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমি শুনেছি ভারত আর রাশিয়া থেকে তেল কিনছে না। যদি এটা সত্যি হয়, তাহলে এটা একটি ভালো সিদ্ধান্ত। এখন দেখা যাক কী হয়।”

রাশিয়া থেকে তেল ও সামরিক সরঞ্জাম কেনার কারণে সম্প্রতি ওয়াশিংটন ভারতকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার হুমকি দিয়েছিল। এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এ মন্তব্য আসে।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি সংস্থা আপাতত রাশিয়া থেকে খনিজ তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। তবে এই তথ্যের যথার্থতা এখনও নিশ্চিত হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি সংবাদমাধ্যমটি।

ভারতের পাল্টা প্রতিক্রিয়া:

রাশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন,

“প্রতিটি দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নির্ধারিত হয় পারস্পরিক স্বার্থ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে। তৃতীয় কোনো দেশের দৃষ্টিকোণ থেকে এ ধরনের সম্পর্ককে দেখা উচিত নয়। রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ও সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।”


ট্রাম্পের হুমকি ও সমালোচনা:

চলতি সপ্তাহেই ট্রাম্প প্রশাসন ভারতকে ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক এবং অতিরিক্ত জরিমানার হুমকি দিয়েছে। শুধু তাই নয়, ভারত ও রাশিয়ার অর্থনীতিকে ‘মৃত অর্থনীতি’ বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।


তিনি ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ পোস্ট করে বলেন,

“ভারত যদি রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ায়, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। তারা চাইলে একসঙ্গে তাদের মৃত অর্থনীতি ধ্বংস করুক, আমি কিছু মনে করব না।

ভারতের অবস্থান স্পষ্ট:
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জয়সওয়াল বলেন, “ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক একটি শক্তিশালী কৌশলগত অংশীদারিত্ব, যা পারস্পরিক স্বার্থ, গণতন্ত্র এবং জনগণের সংযোগের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। এই সম্পর্ক নানা চ্যালেঞ্জ ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়েও টিকে আছে। আমরা বাস্তবভিত্তিক দ্বিপাক্ষিক এজেন্ডার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলেই আমরা আশাবাদী।