বৃহস্পতিবার , ২০ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ২০ আগস্ট ২০২৬
হোমঅর্থনীতি-ব্যবসাযুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক হ্রাসে স্বস্তিতে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা, চীনের কাঁচামালে নতুন চ্যালেঞ্জ

যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক হ্রাসে স্বস্তিতে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা, চীনের কাঁচামালে নতুন চ্যালেঞ্জ

favicon
অনলাইন সংস্করণ
যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক হ্রাসে স্বস্তিতে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা, চীনের কাঁচামালে নতুন চ্যালেঞ্জ

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে যুক্তরাষ্ট্র এপ্রিলের শুরুতে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ বাড়তি শুল্ক আরোপ করে। এতে বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। প্রথমে ২ শতাংশ শুল্ক কমানো হয়, পরে আরও ১৫ শতাংশ হ্রাস করে শুল্ক ২০ শতাংশ নির্ধারণ করে ট্রাম্প প্রশাসন। এতে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অর্থনীতিবিদ ও রপ্তানিকারকরা।

সিপিডি'র গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম জানান, শুল্ক হ্রাসের ফলে বাংলাদেশ এখন প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে সমতাসূচক অবস্থানে রয়েছে। একই মত দিয়েছেন এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, যিনি বলেন, এখন দেশের রপ্তানিতে বড় ধরনের চাপ কমেছে।

বাংলাদেশ তুলনামূলক কম দামে পণ্য উৎপাদন করায় চীন, ভারত ও ভিয়েতনামের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সুবিধার কারণে শিগগিরই চীন ও ভিয়েতনামের অনেক অর্ডার বাংলাদেশে স্থানান্তর হতে পারে।

তবে নতুন এক চ্যালেঞ্জও সামনে এসেছে। চীন থেকে কাঁচামাল আমদানি করে আমেরিকায় রপ্তানি করলে ৪০ শতাংশ ট্রান্সশিপমেন্ট ট্যারিফ দিতে হতে পারে। ফলে নিটওয়্যার ও ম্যানমেইড ফাইবার খাতে কাজ করা অনেক রপ্তানিকারকের জন্য এটি বড় চাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ভবিষ্যতে একক দেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানি বাজার ও পণ্যে বৈচিত্র আনার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে বাংলাদেশের।