শুক্রবার , ২১ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার , ২১ আগস্ট ২০২৬
হোমঅর্থনীতি-ব্যবসাযুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টা শুল্ক চুক্তি এখনো হয়নি, আলোচনার সুযোগ রয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টা শুল্ক চুক্তি এখনো হয়নি, আলোচনার সুযোগ রয়েছে

favicon
অনলাইন সংস্করণ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টা শুল্ক চুক্তি এখনো হয়নি, আলোচনার সুযোগ রয়েছে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক ইস্যুতে যে ‘নন-ডিসক্লোজার’ চুক্তি হয়েছে, তা প্রকাশযোগ্য নয় বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এই চুক্তি কোনো বহুপক্ষীয় সংস্থা, যেমন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)-র আওতায় নয়, বরং এটি দুই দেশের মধ্যে ওয়ান-টু-ওয়ান ভিত্তিতে করা একটি সমঝোতা।

বুধবার (৭ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থ উপদেষ্টা জানান, “শুল্ক কিছুটা কম হলে ভালো হতো। তবে তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো ভালো। চুক্তি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কোথায় কতটা শুল্ক হ্রাস বা পরিবর্তন হবে, তা চুক্তি স্বাক্ষরের পরই জানা যাবে। তখনও আলোচনার সুযোগ থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকারের এক বছরের মধ্যে অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা এসেছে। মূল্যস্ফীতি হঠাৎ করে কমানো সম্ভব নয়, এটি কোনো ঘোড়ার লাগাম নয়। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব, তা অগ্রাধিকারভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকারের এক বছরের মধ্যে অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা এসেছে। মূল্যস্ফীতি হঠাৎ করে কমানো সম্ভব নয়, এটি কোনো ঘোড়ার লাগাম নয়। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব, তা অগ্রাধিকারভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে।”

নির্বাচনী বাজেট প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “যে বাজেট প্রয়োজন হবে, সেটিই দেওয়া হবে। তবে বাজেটের পরিমাণ এখনই বলা যাচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন থেকে যে চাহিদা আসবে, সেটির ভিত্তিতেই বাজেট নির্ধারণ হবে।”

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ওপর ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিলেও, এখনো উভয় দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কোনো চুক্তি হয়নি। বর্তমানে খসড়া তৈরির কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (USTR)। খসড়া অনুমোদনের পর তা পাঠানো হবে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে। সেখানে মতামত দিয়ে তা ফেরত পাঠানো হবে, এরপর চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে নির্ধারিত তারিখে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ নতুন শুল্ক কার্যকর হবে, যা আগের সাড়ে ১৬ শতাংশের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মোট শুল্ক হবে ৩৬.৫ শতাংশ।