হাইকোর্টে রিট: সিলেটের সাদা পাথর লুটে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি
সিলেটের সাদা পাথর লুটের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মীর একেএম নূরুন নবী এ তথ্য জানান।
রিটে দাবি করা হয়েছে, ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন অবিলম্বে ব্যবস্থা নেয় এবং এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়।
এদিকে বুধবার রাতে সিলেট জেলা প্রশাসনের সমন্বয় সভায় পাথর লুট রোধ ও লুট হওয়া পাথর পুনঃস্থাপনে পাঁচ দফা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তগুলো হলো—
১. জাফলং ইসিএ ও সাদাপাথর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা যৌথবাহিনীর দায়িত্ব পালন।
২. গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় পুলিশের চেকপোস্টে যৌথবাহিনীসহ সার্বক্ষণিক তৎপরতা।
৩. অবৈধ ক্রাশিং মেশিন বন্ধে ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে অভিযান অব্যাহত রাখা।
৪. পাথর চুরির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা।
৫. চুরি হওয়া পাথর উদ্ধার করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে দেওয়া।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়ারি থেকে পাথর ও বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও প্রভাবশালীদের লাগামহীন লুটপাটের কারণে সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম স্থান সাদাপাথরসহ বিভিন্ন পাথর কোয়ারি হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় এই লুটপাট চলছে, যা প্রাকৃতিক সম্পদের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পকেও মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলছে।