২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার শুনানিতে ব্যস্ততা, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদা রিভিউ রায় পিছিয়ে
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ধারাবাহিক শুনানির কারণে রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদা নিয়ে করা রিভিউ আবেদনের রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নতুন তারিখ হিসেবে আগামী ২৮ আগস্ট নির্ধারণ করেছেন।
এর আগে বুধবারও রায় ঘোষণার কথা ছিল। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আইনজীবীকে আপিল বিভাগ পরিবর্তনের জন্য আবেদন করার বিষয়টি বিবেচনায় এনে রায় ঘোষণার দিন বৃহস্পতিবারে পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
গত ২৭ এপ্রিল রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদার ক্রম নিয়ে আপিল বিভাগের পূর্ববর্তী রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিভিউ আবেদনের শুনানি শুরু হয়। এর আগে ৯ জানুয়ারি বিচারকদের সংগঠন জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন দ্রুত রিভিউ শুনানির আবেদন করে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চে ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর এই আবেদন উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার ক্রমে অন্তর্ভুক্তির জন্য ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরাও আবেদন করেন।
২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি আপিল বিভাগ ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স সংশোধন করে রায় দেন। ওই রায়ে সাংবিধানিক পদধারীদের শীর্ষে রাখা হয় এবং জেলা জজদের পদ আট ধাপ উন্নীত করে সচিবদের সমকক্ষ করা হয়। একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতির পদ জাতীয় সংসদের স্পিকারের সমান করা হয়।
রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) তৎকালীন চেয়ারম্যান ২০১৭ সালে পৃথক রিভিউ আবেদন করেন। পরবর্তীতে এসব আবেদনে ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা পক্ষভুক্ত হন।