সবজির দাম কিছুটা কমলেও নারায়ণগঞ্জে বাজার এখনো আগুনছোঁয়া, কম আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস
শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জে আকাশচুম্বী শাক-সবজির দামে দিশেহারা কম আয়ের মানুষ। বিক্রেতাদের দাবি, কয়েক দিনের ব্যবধানে সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। তবে ক্রেতাদের মতে, এই দাম এখনো নাগালের বাইরে। শুক্রবার সকালে দিগু বাবুর বাজার, কালিবাজার ও মাসদাইর বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে গিয়ে দেখা যায়, টমেটো কেজি প্রতি ১৬০–১৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৫০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, ধনেপাতা ৩০০ টাকা, সিম ৩০০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, লাল শাক ও পুই শাক ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এমন দামে ক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাস যেন আকাশ ছুঁয়েছে। আগে সস্তায় পাওয়া যেত যে পেঁপে, সেটিও এখন ৪০ টাকা, আর শসা বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭০ টাকায়।
দিগু বাবুর বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান জানান, “গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কিছুটা কমেছে। বর্ষায় উৎপাদন কম থাকায় দাম বাড়ে, তবে বাজার এখন স্থিতিশীল।”
কিন্তু ক্রেতারা ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা বলছেন। ক্ষোভ জানিয়ে মোতালেব নামে এক ব্যক্তি বলেন, “শুধু কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। বাকি সবকিছু আগুনের মতোই। আমাদের আয়ের সঙ্গে এই বাজার মেলে না।”
মাছ-মাংসের দামেও চাপ বেড়েছে। তেলাপিয়া মাছ ২২০–২৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০ টাকা, রুই ৩৫০–৪০০ টাকা, কাতলা ৪০০–৪৫০ টাকা এবং চিংড়ি মাছ ৬০০–৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ২০০–২২০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০–৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১,২০০–১,৩০০ টাকা কেজি এবং ডিম হালি ৫০–৫২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের চেয়ে ১০–১২ টাকা বেশি।