আন্তর্জাতিক মানে শ্রম আইন সংস্কারে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার
উপদেষ্টা জানান, নতুন সংশোধনে আইএলওর রোডম্যাপ, যুক্তরাষ্ট্রের ১১ দফা শ্রম অধিকার শর্ত, ইউরোপীয় অ্যাকশন প্ল্যান এবং শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
এতে শ্রমিক সংগঠনের স্বাধীনতা, যৌথ দর-কষাকষির অধিকার, নারী শ্রমিকের সুরক্ষা, এবং কর্মক্ষেত্রে হয়রানি প্রতিরোধের ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে।
ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
“বাংলাদেশ এখন আইএলওর ১০টি মৌলিক কনভেনশন অনুস্বাক্ষরকারী দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ। সম্প্রতি পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (C155, C187) এবং কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা প্রতিরোধ (C190) কনভেনশন অনুস্বাক্ষর করে আমরা নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছি।”
তিনি আরও বলেন, সরকার শিশুশ্রম নির্মূলে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং কনভেনশন ১৩৮ ও ১৮২ বাস্তবায়নে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
জার্মান সাংসদ বোরিস মিয়াতোভিচ বাংলাদেশের শ্রম সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এই খাতে জার্মান সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ শ্রম ও নৌপরিবহন খাতে বিনিয়োগ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এবং ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য আইএমও কাউন্সিল নির্বাচনে জার্মান সমর্থন বিষয়েও আলোচনা করেন।