বুধবার , ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বুধবার , ০৭ অক্টোবর ২০২৬
হোম › জাতীয় › ডা. জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফর স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার: ধর্ম উপদেষ্টা

ডা. জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফর স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার: ধর্ম উপদেষ্টা

favicon
অনলাইন সংস্করণ
ডা. জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফর স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার: ধর্ম উপদেষ্টা

বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা ডা. জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, তাঁর আসার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। এ দুই মন্ত্রণালয় অনুমতি দিলে তিনি বাংলাদেশে আসতে পারবেন।


রবিবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা এ কথা জানান।


তিনি বলেন, “ডা. জাকির নায়েককে যারা বাংলাদেশে আনতে চান, তাদের একটি প্রতিনিধি দল আমার সঙ্গে দেখা করেছে। আমি ওনাদের স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, এটি আমার এখতিয়ারের বিষয় নয়। এটি স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।”


ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, “কোনো বিদেশি অতিথি দেশে আসলে সাধারণত পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ই বিষয়টি পরিচালনা করে। আমি শুধু ধর্ম উপদেষ্টা, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই।”


জাকির নায়েকের সফর নিয়ে নিজের অবস্থান জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার সম্মতি বা অসম্মতি কোনো বিষয় নয়। অনুমতির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের। তারা যদি পারমিট দেয়, তবে তিনি আসবেন।”


রাজনীতি ও নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, “আমার মনে হয় আমরা নির্বাচনের দিকেই যাচ্ছি। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে হাই-কমান্ডের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ আছে। আমরা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”


জুলাই সনদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) স্বাক্ষর না করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কখনো কখনো আলোচনা কিছুক্ষণের জন্য স্থগিত হতে পারে, কিন্তু আলোচনার মাধ্যমেই সবকিছু সমাধান সম্ভব। সরকারের লক্ষ্য একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন আয়োজন করা।”


শেষে লিয়াজোঁ কমিটি গঠনের বিষয়ে জানতে চাইলে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, “এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু জানি না, তবে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগের পথ সব সময় খোলা থাকে। ভুল বোঝাবুঝি হলে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই তা সমাধান করা সম্ভব।”


সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন