বুধবার , ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বুধবার , ০৭ অক্টোবর ২০২৬
হোম › জাতীয় › আজ থেকে দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে ‘স্কুল ফিডিং’ কার্যক্রম

আজ থেকে দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে ‘স্কুল ফিডিং’ কার্যক্রম

favicon
অনলাইন সংস্করণ
আজ থেকে দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে ‘স্কুল ফিডিং’ কার্যক্রম

বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি, মনোযোগ ধরে রাখা এবং পুষ্টির উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে আজ শনিবার থেকে সারা দেশের নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে ‘স্কুল ফিডিং’ কার্যক্রম।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান এবং প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ২০২৭ সাল পর্যন্ত চলমান এ প্রকল্পে দেশের ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচ দিন পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা হবে। খাবারের তালিকায় থাকবে ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা বা মৌসুমি ফল, বনরুটি, সিদ্ধ ডিম এবং ইউএইচটি দুধ।

সাপ্তাহিক খাদ্যসূচি অনুযায়ী—



রবিবার: ১২০ গ্রাম বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম



সোমবার: বনরুটি ও ২০০ গ্রাম ইউএইচটি দুধ



মঙ্গলবার: ৭৫ গ্রাম ফর্টিফাইড বিস্কুট ও কলা বা স্থানীয় ফল



বুধবার ও বৃহস্পতিবার: বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম



প্রস্তাবিত খাদ্য তালিকা শিক্ষার্থীদের দৈনিক প্রয়োজনীয় শক্তির ২৫.৯%, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ৩২.২%, প্রোটিনের ১৬.৪% এবং ফ্যাটের ২১.৭% সরবরাহ করবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য হলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমতাভিত্তিক ও মানসম্মত শিক্ষায় সহায়তা করা এবং পুষ্টিকর খাদ্যের মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্যের উন্নয়ন ঘটানো। এতে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার ৮০ শতাংশের বেশি হবে, ঝরে পড়া কমবে, প্রকৃত ভর্তির হার প্রতি বছর ১০ শতাংশের বেশি বাড়বে এবং বিদ্যালয়ে শিশুদের ধরে রাখার হার ৯৯ শতাংশে উন্নীত হবে। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের হার ৯০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও জানান, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ কর্মসূচি বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।