দুর্নীতির অভিযোগে নিজের প্রতিষ্ঠানকেই কাঠগড়ায় তুললেন দুদক চেয়ারম্যান—সংশোধনী নিয়ে ক্ষুব্ধ টিআইবি
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ছিল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানির হাতিয়ার—এমন অভিযোগ বহুবার উঠেছে। আগস্টের পরিবর্তনের পর দুদককে ঢেলে সাজানো হলেও প্রতিষ্ঠানটি কতটা বদলেছে, সে প্রশ্ন তুলেছেন সংস্থার বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন নিজেই।
গত ২৩ নভেম্বর সিলেটের রিকাবীবাজারের কবি নজরুল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণশুনানি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদকের ভেতরেই দুর্নীতি রয়েছে এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে সেবাগ্রহীতারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। গণশুনানিতে মোট ৭৩টি অভিযোগ উত্থাপন হয়, যেখানে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পাসপোর্ট অফিস, জালালাবাদ গ্যাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে এক কর্মচারীকে বরখাস্ত করার নির্দেশও দেন চেয়ারম্যান।
দুদকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ রয়েছে—তদন্তের নামে চাঁদাবাজি, হয়রানি, ভুয়া মামলা তৈরি—এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত দেড়