ভোটাধিকার হরণের অভিযোগে মামলা, নূরুল হুদাকে আদালতে হাজির
দিনের ভোট রাতে করে জনগণকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৭ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে রিমান্ড আবেদনটি করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামসুজ্জোহা সরকার। দুপুর আড়াইটার পর নূরুল হুদাকে আদালতে হাজির করা হয় এবং আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে গত সোমবার পুলিশ নূরুল হুদার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে, যেখানে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে আজ পুনরায় তাকে আদালতে হাজির করে নতুন করে আরও ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীতে ‘উচ্ছৃঙ্খল জনতার’ হাতে হেনস্তার পর নূরুল হুদাকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশ জানায়, বিএনপির দায়ের করা একটি মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এই মামলাটি দায়ের করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন খান। তিনি ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনগুলোকে প্রহসন হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সময়কার তিনজন সিইসি—কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, কে এম নূরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ ২৪ জনকে আসামি করেন।
মামলার অন্য আসামি, সাবেক সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালকেও বুধবার গ্রেপ্তার করে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধেও ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ।
এই মামলাকে ঘিরে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও সাবেক কমিশনগুলোর নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।