বৃহস্পতিবার , ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ০৮ অক্টোবর ২০২৬
হোম › জাতীয় › অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদনে নতুন দুই টিভি চ্যানেল

অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদনে নতুন দুই টিভি চ্যানেল

favicon
অনলাইন সংস্করণ
অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদনে নতুন দুই টিভি চ্যানেল

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের মতো একই প্রক্রিয়ায় নতুন দুটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনের অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ‘নেক্সট টিভি’ ও ‘লাইভ টিভি’ নামে এই দুই চ্যানেলের লাইসেন্স দিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।


মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুন ‘নেক্সট টিভি’ অনুমোদন পায়, যা ‘৩৬ মিডিয়া লিমিটেড’ নামে নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠানের অধীনে। প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার করাতিটোলা লেন। এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরিফুর রহমান তুহিন, যিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই চ্যানেলের পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন বগুড়ার বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম হাফিজুর রহমানের ছেলে এ কে এম গোলাম হাসনাইন, যিনি বর্তমানে সৌদি আরবে প্রবাসী এবং সৌদি আরব (পূর্বাঞ্চল) বিএনপির সভাপতি।


অন্যদিকে, ‘লাইভ টিভি’ অনুমোদন পেয়েছে ১৪ জুলাই। এই চ্যানেলের মালিক আরিফুর রহমান, যিনি ‘মিনার্ভা মিডিয়া লিমিটেড’ নামে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা ১৪৩ নম্বর সড়ক, গুলশান-১। তিনি জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য ছিলেন, তবে এনসিপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেননি বলে জানা গেছে।


বর্তমানে দেশে ৫০টি বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল অনুমোদিত রয়েছে, যার মধ্যে পূর্ণ সম্প্রচারে রয়েছে ৩৬টি প্রতিষ্ঠান। বাকি ১৪টি চ্যানেল সম্প্রচারের অপেক্ষায়। এছাড়া ১৫টি অনুমোদিত আইপি টিভি (ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন) রয়েছে, এবং আরও কিছু আবেদন অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় আছে।


তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিক টিভি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। এর জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র, প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সনদ, ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর সনদ, ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট এবং চ্যানেল পরিচালনার সক্ষমতার প্রমাণসহ একটি প্রকল্প প্রস্তাব জমা দিতে হয়।


আবেদনের পর তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদিত হলে, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে ‘ফ্রিকোয়েন্সি ক্লিয়ারেন্স’ নিতে হয়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সবুজ সংকেত না পেলে এই অনুমোদন সাধারণত পাওয়া যায় না।