বৃহস্পতিবার , ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ০৮ অক্টোবর ২০২৬
হোম › জাতীয় › জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট একই বাক্সে, গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি: ইসি

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট একই বাক্সে, গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি: ইসি

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট একই বাক্সে, গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি: ইসি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট একই বাক্সে ফেলতে হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি রঙের, আর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট থাকবে সাদা।


শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করে ইসি জানায়, একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণনার সুবিধার্থে গণভোটের ব্যালটের রঙ আলাদা করা হলেও ভোটাররা দুটি ব্যালটই একই ব্যালট বাক্সে জমা দেবেন।


পরিপত্রে বলা হয়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় গণভোটে প্রশ্ন, ভোটগ্রহণের সময়সূচি, রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ, ভোটদান পদ্ধতি এবং ফল প্রকাশসংক্রান্ত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা হয়েছে।


গণভোটের বিষয়

গণভোটে ভোটারদের কাছে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং এতে উল্লিখিত সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবসমূহের প্রতি সম্মতি আছে কি না—সে বিষয়ে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট চাওয়া হবে। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠন, দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা, নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ মোট ৩০টি সংস্কার বিষয়।


ভোটের সময়সূচি

ইসি জারি করা গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে—আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি—অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ চলবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত, বিরতিহীনভাবে।


কর্মকর্তা নিয়োগ ও ভোটকেন্দ্র

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারাই একই সঙ্গে গণভোট পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন। জাতীয় নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র ও ভোটার তালিকাই গণভোটের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হবে।


ব্যালট ও ভোটদান পদ্ধতি

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালটের সঙ্গে ভোটারদের একটি গোলাপি রঙের গণভোট ব্যালট দেওয়া হবে। ভোটাররা গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-তে সিল দিয়ে ব্যালট ভাঁজ করে জাতীয় নির্বাচনের ব্যালটের সঙ্গে একই ব্যালট বাক্সে ফেলবেন। পোস্টাল ভোটের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।


ভোট গণনা

ভোটগ্রহণ শেষে প্রিসাইডিং অফিসার ব্যালট বাক্স খুলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট ও গণভোটের ব্যালট আলাদা করবেন। এরপর সংসদ নির্বাচনের ব্যালট প্রার্থীভিত্তিক এবং গণভোটের ব্যালট ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ হিসেবে পৃথক করে গণনা করা হবে।