বৃহস্পতিবার , ২০ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ২০ আগস্ট ২০২৬
হোমসারা দেশকক্সবাজারে অনুমতি ছাড়া এলপিজি গ্যাস পাম্প বিস্ফোরণ, ১৬ দগ্ধ; ১০ জনের অবস্থা গুরুতর

কক্সবাজারে অনুমতি ছাড়া এলপিজি গ্যাস পাম্প বিস্ফোরণ, ১৬ দগ্ধ; ১০ জনের অবস্থা গুরুতর

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
কক্সবাজারে অনুমতি ছাড়া এলপিজি গ্যাস পাম্প বিস্ফোরণ, ১৬ দগ্ধ; ১০ জনের অবস্থা গুরুতর

কক্সবাজার শহরের কলাতলী চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকায় (আদর্শ গ্রাম সংলগ্ন) একটি এলপিজি গ্যাস পাম্প বিস্ফোরণে ১৬ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের মধ্যে ৩ জনকে ঢাকার হাসপাতাল এবং বাকিদের ৭ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনা ঘটে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে। বিস্ফোরিত পাম্পের নাম কক্সবাজার ফিলিং স্টেশন, যা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি। পাম্পটির মালিক নূরুল আলম আগামি কয়েক দিনের মধ্যে উদ্বোধন করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে এটি স্থাপন করতে দমকল বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, শহরের গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় পাম্পটি স্থাপন করা হচ্ছিল। গ্যাস লিকেজের কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে। অনুমতি বিহীন গ্যাস পাম্পের মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিস্ফোরণের পর দমকল, সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্যসহ ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। রাত ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রায় ১৪ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন গ্যাস ট্যাংকে থাকা গ্যাস শেষ হলে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ ঘটনায় কমপক্ষে ১০টি বাড়ি এবং ২০–২৫টি পর্যটক পরিবহনে ব্যবহৃত জিপ গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “গ্যাসের তীব্র গন্ধে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। বিস্ফোরণের পর পাম্পের ভেতরের কয়েকটি স্থানে আগুন ধরে যায় এবং তা পাশের স্থাপনাতেও ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকায় প্রায় ২০ হাজার মানুষ বসবাস করেন।”