টেকনাফে রোহিঙ্গা দুই গ্রুপের গোলাগুলি, আতঙ্কে শরণার্থীরা
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তথ্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষ ৫০ থেকে ৮০ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। গোলাগুলির খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা পাহাড়ি এলাকায় পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এপিবিএন-১৬-এর অধিনায়ক মোহাম্মদ কাউছার সিকদার বলেন, শিবিরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে। মাদক ব্যবসা, অপহরণসহ নানা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি হয়েছে বলে জানান রোহিঙ্গা শিবিরের মাঝিরা। সাধারণ রোহিঙ্গারা এতে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
ঘটনার পরপরই টেকনাফ থানা পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গিয়াস উদ্দিন বলেন, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।